Information লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Information লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আমেরিকার 13 প্রীতি

এখানে সকলেই মনে রাখবেন এই ধরনের কাকতালীয় বিষয়গুলি শুধু ১৩ এর জন্যই প্রযোজ্য তা নয়, বরং অন্য যেকোনো সংখ্যাকে নিয়ে খুঁজলেও আপনি এই ধরনের অহরহ কাকতালীয় বিষয় খুঁজে পাবেন। তাই আবারো বলছি- “সংখ্যার কোনো ক্ষমতা নেই ভালো বা মন্দ করার, সকল সংখ্যাই নিরিহ সংখ্যা”।
তাহলে শুরু করা যাক…….
আমেরিকার পতাকা দেখেছেন সকলেই, পতাকাতে লাল আর সাদা রং এর স্টেপগুলি (Stripes) সকলেই দেখেছেন। কিন্তু আপনি কি জানেন এই স্টেপের সংখ্যা কত? মাত্র ১৩টি স্টেপ আছে পতাকাতে। আমেরিকা আদি বা original কলনি (colonies) ছিলো ১৩টি, আর এই ১৩টি কলনির প্রতিক পতাকার এই ১৩টি স্টেপ।

আমেরিকার পতাকাতে এখন দেখতে পাবেন ৫০টি তারা (stars), কিন্তু একসময় এই তারার সংখ্যাও ছিলো ১৩টা। দেখুন সেই ১৩ তারাযুক্ত পতাকাটি নিচে।



On June 14, 1777, the Marine Committee of the Second Continental Congress passed the Flag Resolution which stated: “Resolved, That the flag of the United States be thirteen stripes, the design is among the oldest of any U.S. flags.
এতো গেলো পতাকার কথা এবার আসা যাক প্রথম এক ডলারের কাগুজে নোটের (U.S. one-dollar bill) কথায়।

দেখুন এই নোটের ডান দিকে একটি ঈগলের ছবি আছে।
ঈগলের ছবি

(১) ঈগলটির মাথার উপরে একটি বৃত্তের মত দেখা যাচ্ছে। এই বৃত্তের ভিতরে আছে ১৩টি তারা।
(২) ঈগলটির বুকের সামনে লাল-সাদা স্টেপ আকা আছে, এই স্টেপের সংখ্যাও কিন্তু ১৩টি।
(৩) ঈগলটির ডান পাঁয়ের দিকে তাকান। একটি অলিভের ডাল ধরা আছে। গুণেফেলুন ১৩টি অলিভের পাতা আছে ডালটিতে।
(৪) এই ডালটিতে কিছু অলিভ ফলও দেখতে পাবেন, গুণলে পরে এদের সংখ্যাও হবে ১৩টি।
(৫) এবার আসুন ঈগলের বাম পাঁয়ে। কি দেখতে পাচ্ছেন? একগুচ্ছ তীর ধরা আছে। গুচ্ছ-টুচ্ছ নয় মনযোগ সহকারে গুণলে দেখবেন মাত্র ১৩টি তীরই আছে সেখানে।
(৬) ঈগলটি তার ঠোঁটে একটি রিবন বা ফিতা ধরে আছে, আর সেখানে লিখা আছে E Pluribus Unum। এখানেও ১৩টি অক্ষর আছে।
ঈগল কাহিনী এখানেই শেষ, এবার দেখুন নোটের বাম পাশেই আছে একটি পিরামিডের ছবি।
পিরামিডের ছবি

(১) গুণে দেখুন ১৩টি স্টেপ বা ধাঁপ আছে পিরামিডটির।
(২) আবার পিরামিডটির উপরের তিনটি স্টেপ বা ধাঁপের ইটের সংখ্যাও কিন্তু ১৩টিই।
(৩) পিরামিডের উপরে লেখা আছে ANNUIT COEPTIS। এইখানেও ১৩টি অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
(৪) পিরামিডের নিচের দিকে রিবন বা ফিতাতে লেখা আছে NOVUS ORDO SECLORUM। মাঝের ORDO টি বাদ দিলে NOVUS SECLORUM তে আছে ১৩টি অক্ষর।
(৫) NOVUS ORDO SECLORUM লেখাটি থেকে সবকটি “O” মুছে দিলে NVUS RD SECLRUM থাকে, যেখানে অক্ষর রয়েছে ১৩টি।
(৬) পিরামিডের সামনেই দেখুন কিছু ঘাসের গুচ্ছ আছে। এই ঘাঁসগুচ্ছের সংখ্যাও ১৩টি।
এসব দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই। খুঁজলে এমন হাজারো কাকতালীয় মিল আমরা বাংলাদেশেও বের করতে পারবো।
আরো কিছু টুকিটাকি-
আমেরিকায় প্রতি মাসের ১৩ তারিখে প্রায় ১০ কোটি ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয় মানুষের ট্রেন ও বিমান যাত্রা বাতিল,কাজে যোগদান না দেয়া এবং অপেক্ষাকৃত কম বাণিজ্যিক কর্মকান্ডের জন্য।
আপনি জানেন কি, আমেরিকার বেশিরভাগ দালানেই ১৩নং ফ্লোর বলে কিছু নেই। অর্থাৎ ১২ তালা থেকে সরাসরি ১৪তালা গুণে ফেলে ওরা ১৩কে বাদ দিয়ে। ফলে ওদের লিফ্টগুলিতে ১৩নং বাটন থাকে না। মজার তাই না? আমেরিকার অনেক যায়গাতেই একই ভাবে ১৩নং রোড নেই, নেই কোনো ১৩নং বাড়িও।
হায়রে মানুষ- এতো আধুনিক তবুও এতটাই …….

এক নজরে মোবাইল ফোনের ইতিহাসে বিভিন্ন কোম্পানির সর্বোচ্চ সংখ্যক মোবাইল ফোন বিক্রির সংখ্যা চিত্র



১.নকিয়া ৩৩১০
সালঃ ২০০০
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১৩৬ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৫


২. আইফোন ৪
সালঃ ২০১০
বিক্রয় সংখ্যাঃ ৫৮ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ১৪


৩.সামসুন গ্যালাক্সি এস II
সালঃ ফেব্রুয়ারী 2011
বিক্রয় সংখ্যাঃ ২০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ২৫


৪. নকিয়া ৩২১০
সালঃ ১৯৯৯
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১৫০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৪



৫.মটোরোলা (আর এ জেড এর) ভি৩
সালঃ ২০০৪
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১৩০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৮


৬.আইফোন ৪এস
সালঃ অক্টোবর 2011
বিক্রয় সংখ্যাঃ ৩৩ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ১৮


৭.নকিয়া ১১০০
সালঃ ২০০৩
বিক্রয় সংখ্যাঃ ২৫০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ১


৮.আইফোন ৩জিএস
সালঃ২০০৯
বিক্রয় সংখ্যাঃ ৩৫ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ১৭


৯. নকিয়া ৫২৩০
সালঃ ২০১০
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১৫০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ২


১০. আইফোন ৩জি
সালঃ ২০০৮
বিক্রয় সংখ্যাঃ ৯ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৫২


১১.নকিয়া ১৬০০
সালঃ ২০০৬
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১৩০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৭


১২. আইফোন ২জি
সালঃ ২০০৭
বিক্রয় সংখ্যাঃ ৬ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৫৩


১৩. নকিয়া ১২০০
সালঃ ২০০৭
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১৫০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৩


১৪. নকিয়া ১২০৮
সালঃ ২০০৭
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১০০ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং: ৯


১৫. নকিয়া ৬০১০
সালঃ ২০০৪
বিক্রয় সংখ্যাঃ ৭৫ মিলিয়ন পিছ।



১৬.নকিয়া ২৬০০
সালঃ ২০০৪
বিক্রয় সংখ্যাঃ ১৩৫ মিলিয়ন পিছ।
সেলস রেঙ্কিং : ৬

বারকোড দেখেছেন, এবার দেখুন বারকোডের বড়ভাই QR কোড


সামুতে আমরা Click this link/এখানে ক্লিক করুন টাইপ লেখা দেখতে দেখতে ক্লান্ত। এমন যদি হতো এ লিংকগুলো বাস্তব রুপ নিয়ে নিতো, অক্ষরগুলো ছবিতে রূপান্তরিত হয়ে যেত!

মোবাইলের এই দাপুটে যুগে এখন সেটাও সম্ভব। আর সেটা সম্ভব হয়েছে QR কোড-এর মাধ্যমে।

বারকোড তো আমরা সবাই চিনি। প্রায় সবধরণের পণ্যের গায়ে লম্বা কিছু মেশিন-রিডেবল সমান্তরাল দাগ, যাতে পণ্যের মূল্য, মেয়াদ, ব্যাচ জাতীয় তথ্য থাকে। সেই বারকোডের বড় ভাই হলো QR কোড। বারকোড হলো একমাত্রিক আর QR কোড হলো দ্বিমাত্রিক, তাই এতে বেশি তথ্য দেয়া সম্ভব। একটি কোড ৭০৮৯ টি সংখ্যা বা ৪২৯৬ টি অক্ষর ধারণ করতে পারে!


একটি QR কোড দেখতে এরকম




বারকোড আর QR কোড এ পার্থক্য দেখুন

সাধারণ বারকোডের অর্থোদ্ধার করার জন্য দরকার হয় আলাদা রিডার। যেটা লেজারজাতীয় আলোর বীম দিয়ে বার কোড স্ক্যান করে। কিন্তু QR কোড পড়ার জন্য স্মার্টফোনই যথেষ্ট। ফোনের ক্যামেরায় তোলা ছবি প্রসেস করে সেখান থেকে ডেটা পড়ে ফেলা সম্ভব। এজন্যই এর নাম Quick Response বা QR কোড!

অপেক্ষাকৃত চটকদার ও নতুন জিনিসের প্রতি মানুষের চিরায়ত আকর্ষণ রয়েছে। এ আকর্ষণকে পুজিঁ করে বিপনণের মাধ্যম হিসেবে এ কোড ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পত্রিকার পাতা, কফি কাপ, টি-শার্ট, কাঁচ যেকোন যায়গায় এই ছোট্ট চারকোনা কোড ছাপানো যায়। ৪২৯৬ অক্ষর দিয়ে প্রচারণা খারাপ হবে না! আবার ধরুন, আপনি বিজনেস কার্ড ছাপাবেন। আপনি একটি QR কোড দিয়ে আপনার যাবতীয় একাউন্টের ঠিকানা (টুইটার, ফেইসবুক, ইউটিউব, লিংকড ইন, ব্লগ ইত্যাদি) কার্ডে দিয়ে দিতে পারেন।




বিজ্ঞাপন ও পোস্টারে QR কোডের ব্যবহার

সম্প্রতি হলান্ডে ৫ ও ১০ ইউরোর বিশেষ কয়েন চালু করা হয়েছে যার একপৃষ্ঠে রয়েছে QR কোড।


হলান্ডে চালু হওয়া কয়েনের ছবি



পত্রিকার বিজ্ঞাপনে QR কোড

গুগলের ইউআরএল শর্টেনার যারা ব্যবহার করেন খেয়াল করলে দেখবেন প্রতিটি সংক্ষিপ্ত লিংকের জন্য একটি করে QR কোডও তৈরি হয়।

কিছু কিছু লাইব্রেরি ও বইতে এ কোডের ব্যবহার শুরু হয়েছে। যেমন জুল ভার্নের “এরাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ৮০ ডেইজ” বইটির সর্বশেষ সংষ্করণে ব্যবহার করা হয়েছে QR কোড। যা দিয়ে বইয়ের ম্যাপগুলোতে থাকা লিংক আপনাকে নিয়ে যাবে গুগল ম্যাপে ওই নির্দিষ্ট জায়গাতে।



এর অনেক অদ্ভুত ব্যবহারও শুরু হয়েছে। যেমন, QR কোডের জন্মস্থল জাপানে এক মৃতব্যক্তির সমাধিফলকেও ছাপানো হয়েছে এই কোড, যাতে যে কেউ অতি সহজে মৃতের যাবতীয় তথ্য জানতে পারে। আবার পাঙ্কু পোলাপান QR কোড দিয়ে ট্যাটু আঁকাআঁকিও শুরু করেছে।




বাংলাদেশও QR কোড ব্যবহারে পিছিয়ে নেই। বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে এর ব্যবহার। সর্বশেষ দেখলাম গতকাল গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনে ।



কিভাবে তৈরি করবেন বা পড়বেন QR কোড?

মোটেও কঠিন কাজ নয়। অ্যান্ড্রয়েড ওএস-সহ মোবাইল সেটগুলোতে সাধারনত বারকোড রিডার ইনস্টল করাই থাকে। না থাকলে এখান থেকে ডাউনলোড করা যায়। নকিয়ার সিম্বিয়ান S60 সেট গুলোর জন্য রিডার পাওয়া যাবে এখান থেকে। আরো যেসব সেটের জন্য রিডার সফ্টওয়ার পাওয়া যাবে তাদের লিস্ট আছে এখানে ।

QR কোড তৈরির জন্য একটি ভাল সাইট হলো এটি । এখান থেকে ইচ্ছামতো QR কোড তৈরি করে নিতে পারেন।

সবকিছু ঠিকঠাক করে থাকলে আপনাদের নিচের কোডটি পড়তে পারার কথা। পড়ে জানাবেন! :)



তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য।
ছবিসূত্র: গুগল

" ভূমিকম্প হলে কি করবেন ? (অবশ্যই পড়ুন। কারণ যেকোন দিন এটি কাজে লাগবে) "


বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা শহরে বড় কোন ভূমিকম্প হলে পরিস্থিতি কী হবে, সেটা চিন্তা করতেও ভয় লাগে। ভূমিকম্পের সময় জান বাঁচানোর জন্য কী করণীয় সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিলাম।এগুলো অনেক ওয়েবসাইট ঘেটে নানা জনের ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি।


১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২। উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ’। তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা দুই নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।

৪। অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নীচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নীচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নীচে থাকেন তবে সিলিং-এর নীচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫। ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬। চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। বিল্ডিং-এর ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ ব্লক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি থাকলে ব্লক কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭। বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

৮। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন

সবচেয়ে বড় কথা একটি ভূমিকম্পের সময় যেটুকু সময় পাওয়া যায় সেসময় মাথা ঠান্ডা রাখা অসম্ভব হয়ে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে।

একটি ভিন্ন ধরনের ই-মেইল এড্রেস ।


new email

 আমরা সবাই জিমেইল, ইয়াহু, হটমেইল ইত্যাদি কোম্পানীর ইমেইল সেবা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা সবাই মনে মনে ভাবি যে যদি ভিন্ন ধরনের ইমেইল ডোমেইন সেবা ব্যবহার করা যেত তাহলে অন্যের কাছে ক্ষোভের একটা ব্যাপার হতে পারত। ঠিক সেই জন্যই আমার আজকের এই পোস্ট। তাহলে চলুন চলে যাই এই লিঙ্কে।
এবার মনে করুন আপনি একজন আইনজীবি। তাহলে আপনি আপনার ইমেইল এড্রেস myname@lawyer.com এভাবে দিতে চাচ্ছেন। তাহলে এই সাইটে Sign up now এ ক্লিক করে পরের স্টেপে Personal Information অংশে প্রয়োজনীয় ডাটা টাইপ করুন। এবার Check availability অংশে আপনার ইমেইল এর প্রথম অংশটি টাইপ করে @ এর পরের অংশে ক্লিক করে যে কোন একটি ডোমেইন সিলেক্ট করুন। তারপর Check availability তে ক্লিক করে দেখুন আপনার ইমেইল এড্রেসটি এভেইলেভল কিনা।


এখন Define your password অংশে আপনার পাসওয়ার্ড ও In case you forget your password অংশে আপনার অন্য ইমেইল ও সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন এবং আন্সার ঠিক করে দিন। তারপর Verify your Registration অংশে ক্যাপচাটি টাইপ করে I accept, create my account এ ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে।

সেই বিতর্কিত প্রশ্ন ডিম আগে না মুরগি আগে ?

প্রশ্নটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?:

লেখাটির শিরোনাম হয়তো অনেকের কাছেই ফালতু মনে হয়েছে।কিন্তু কখনো কি আপনি বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভেবে দেখেছেন , যে ডিমের সৃষ্টি আগে না মুরগির সৃষ্টি আগে?এটি যদি আপনি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখেন তাহলে হয়তো আপনি কখনো এই প্রশ্নটির সঠিক কোন উত্তরে পৌছতে পারবেন না।কারন এই প্রশ্নটিকে আপনি যে ভাবেই দেখেন না কেন এ রকম অনেক প্রশ্ন নিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষ ও প্রাচীনকালের মানুষেরা অনেক ভেবেছেন।কেউ কেউ হয়তো  এগুলকে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেছেন আবার কেউ হয়তো এগুলকে দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেছেন।আপনি যদি সঠিক ভাবে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ না করেন তবে আপনি আজকের এই প্রশ্নটিতে এক এক সময় এক এক সিদ্ধান্তে এসে পৌঁছবেন।কারন ডিম ছাড়া যেমন মুরগি সৃষ্টি সম্ভব না, তেমনি মুরগি ছাড়া এই ডিমটি  এল ই বা কোথা থেকে তাই না?

ডিম আগে না মুরগি আগে?


এবার কাজের কথায় আসি,আমাদের জানা দরকার যে সৃষ্টির প্রথমে এই ডিম বামুরগি কোনটিই আসলে ছিল না।সকল  প্রকারের প্রানের উৎপত্তি আসলে সেই আদি কোষ(যে আদি কোষের উৎপত্তি হয় আদি জলজ ও উত্তপ্ত পরিবেশে এবং সেটি ছিল এককোষী) থেকেই হয়েছে।তবে আমাদের উদ্দেশ্য হল মুরগির উৎপত্তি।যাই হোক, মুরগি এক ধরনের পাখি।আর পাখিদের উৎপত্তি হয়েছিল আদি সরীসৃপদের থেকে।লক্ষ করে দেখবেন সরীসৃপরাও পাখিদের মত ডিম পারে এবং ডিম ফুটে বাচ্চা হয়।প্রথম মুরগীটির উৎপত্তিটি আসলে কোন মুরগির ডিম থেকে হয়েছিল না।কোন সরীসৃপ এর ডিমে ঘটে যাওয়া আচমকা মিউটেশন বা হঠাৎ জিনগত রদবদল  ফলে সৃষ্টি হয়ছিল আদিম পাখিদের।আর সেই প্রগইতিহাসিক পাখিদের মধ্যে থেকে পুনঃপুনঃ মিউটেশনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে আজকের এই মুরগির।প্রথম যে মুরগি সৃষ্টি হয়েছিল সেই মুরগির সাথে হয়তো আজকের এই মুরগির অনেক বেশিই অমিল।যেহেতু মিউটেশনটি ডিমের মধ্যে ঘটে যাওয়ার ফলে সেই আদি মুরগীটির উৎপত্তি হয়েছিল তার মানে ডিমটির আগে কোন মুরগি ছিল না।তার  মানে আমরা বলতে পারি মুরগির আগে ডিম এসেছে।তাই ডিম ই আগে আর মুরগি পরে।

ডিনামাইট কিভাবে কাজ করে

ডিনামাইট প্রধানত নাইট্রোগ্লিসারিন ও টি এন টি দিয়ে তৈরি একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রাসায়নিক বিস্ফোরক। একটি ডিনামাইটের ক্ষমতা প্রায় দুই মিলিয়ন জুয়েলের উপরে। ডিনামাইট আবিষ্কার করেন সুইডেনের বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল।ডিনামাইটকে সাধারনত তার দিয়ে দূর থেকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের সাহায্যে বিস্ফোরণ করানো হয়। যেমন কোন পাহাড় পর্বতের বিরাট আকারের পাথরকে ভাঙ্গার জন্য প্রথমে পাথরটিতে ড্রিল মেশিন দিয়ে সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট ছিদ্রের সৃষ্টি করবে। প্রতিটি ছিদ্রে একেকটি ডিনামাইট প্রবেশ করিয়ে সবগুলো ডিনামাইটকে তার সংযুক্ত করেবা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে একই সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এসময় ডিনামাইট থেকে উচ্চ তাপমাত্রার বিরাট আকারের গ্যাস দ্রুতগতিতে এক মুহুর্তে বের হয়ে আসে। এ প্রক্রিয়ায় যে পার্শ্বচাপের সৃষ্টি হয় তাতেই বিরাট আকারের পাথরটি ভেঙ্গে যায়। গঠনে কিছুটা পরিবর্তন এনে ডিনামাইট যুদ্ধে ল্যান্ড মাইন হিসেবেও ব্যবহার হয়। ডিনামাইট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পাহাড় ভাঙ্গা, টানেল তৈরি ও খনিতে। কারণ খুব সহজে ও কম খরচে ডিনামাইট দিয়ে এসব কাজ করা যায়। এছাড়া যুদ্ধের কাজে শত্রুপক্ষের ভবন, সেতু, রেললাইন উরিয়ে দিতে ডিনামাইট ব্যবহার হয়।

3) যাদের ইন্টারনেট স্পিড কম তাদের জন্য পেজ দ্রুত লোড করার একটি টিপস এবং ফেসবুক সম্পর্কিত একটি টিপস

যাদের ইন্টারনেট স্পিড কম তাদের কোন সাইটে ঢোকার সময় হা করে বসে থাকতে হয়। আমার মত যাদের নেট স্পিড ৩ কেবি/সেকেন্ড পার হয় না তাদের জন্য ফায়ারফক্সের একটা টিপস দিচ্ছি। 

আপনি ফায়ারফক্সের ক্যাশ বাড়াতে পারেন এতে ওয়েব সাইট দ্রুত লোড হবে। কারন ক্যাশে কোন ওয়েব সাইটে যে সব জিনিস বার বার লোড করতে হয় সেগুলো সংরক্ষন করে। এতে ঐ ওয়েব সাইট চালু করলে ইন্টারনেট থেকে শুধু যে গুলো পরিবর্তন হয় বেশীর ভাগ সময় শুধু লেখাই পরিবর্তন হয় সেগুলো লোড করে। এতে নেটের উপর চাপ কমে এবং আপনার কাছে মনে হবে ওয়েব সাইট দ্রুত লোড হয়েছে। ক্যাশ বাড়ানোর জন্য ফায়ারফক্সের Tools থেকে Options এ ক্লিক করুন। তারপর Advanced ট্যাব থেকে Network ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার Use up to বক্সে 256 বা আপনি যত মেগাবাইট ক্যাশের সাইজ দিতে চান দিয়ে OK তে ক্লিক করুন। ক্যাশ যত বড় হবে তত বেশী ওয়েব সাইট আপনার ক্যাশে জমা হতে পারবে।

ফেসবুকের জন্য এবার একটি টিপস দেই। যারা ফেসবুকে চ্যাট করেন না, শুধু নিউজ ফিড দেখেন তারা ফেসবুক m.facebook.com ঠিকানা দিয়ে ফেসবুকে ঢুকতে পারেন। এতে আপনার নেট স্পিড কম হলেও দেখবেন কত দ্রুত চালু হবে। m.facebook.com হল ফেসবুকের মোবাইল ভার্সন। আর আপনি চ্যাট করার জন্য ডিগসবাই (Digsby) ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনি কম নেট ইউজ করে শান্তি মত চ্যাট করতে পারবেন। কারন ডিগসবাই খুব কম নেট ইউজ করে।

2) হ্যাকারদের ভয়াবহ হামলার মুখে বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধরনের ও ভয়াবহ ধারাবাহিক সাইবার আক্রমণের শিকার। নিরাপত্তা সংস্থা ম্যাকাফির নতুন অনুসন্ধানের রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় ও ধারাবাহিক সাইবার হামলা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। হ্যাকাররা ৭২টি সরকারি ও বেসরকারি 


সংস্থার নেটওয়ার্কে গোপনে অনুপ্রবেশ করে ও সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নেয়। এর মধ্যে রয়েছে জাতিসংঘও। তাছাড়া রয়েছে বিশ্বের নামী-দামি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ম্যাকাফি হ্যাকারদের এ গোপন অনুপ্রবেশের ঘটনা জানতে পারে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তারা বিশ্বাস করেন, ধারাবাহিক এ হ্যাকিংয়ের ঘটনার অন্তরালে একটি রাষ্ট্রের হ্যাকাররা সক্রিয়। তবে, সাইবার হামলা চালানোর পেছনে কোন দেশের ভূমিকা রয়েছে। তা তারা জানায়নি। অবশ্য, একজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ চীনের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রাপ্ত তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত সে দিকেই নির্দেশ করে। ৫ বছরে ধারাবাহিক হ্যাকিং অভিযানের শিকার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও কানাডা। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে রয়েছে, দ্য এসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশন্স (এএসইএএন); দ্য ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি (আইওসি); দ্য ওয়ার্ল্ড এন্টিডোপিং এজেন্সি; ও ছোট-বড় বহু কোম্পানি। ম্যাকাফি জানিয়েছে, জাতিসংঘ ২০০৮ সালে এ রকম একটি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছিল। সেবার জেনেভার ইউএন সেক্রেটারিয়েটের সুরক্ষিত কম্পিউটার সিস্টেমে সাইবার হামলা চালিয়েছিল হ্যাকাররা। ২ বছর হ্যাকাররা লুকিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার পর নীরবে বহু গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় তথ্য সরিয়ে ফেলেছিল। গতকাল প্রকাশিত ১৪ পৃষ্ঠার এক রিপোর্টে ম্যাকাফির হুমকি অনুসন্ধানকারী সংস্থার ভাইস-প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি অ্যালপেরোভিচ লিখেছেন, এতোগুলো প্রতিষ্ঠানকে সাইবার হামলার শিকার হতে দেখে আমরাও বিস্মিত। অপরাধী এসব হ্যাকারের ঔদ্ধত্য ও সাহস দেখে আমরা হতবাক। ওই রিপোর্টে তিনি লিখেছেন, চুরি হয়ে যাওয়া এ তথ্য-উপাত্তগুলোকে কিভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে- সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। এতে বলা হয়েছে, যদি এর একটি সামান্য অংশও অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষ্যে ব্যবহৃত হয়, তবে তার জন্য বিশাল হুমকির মুখে পড়তে হবে। অপরাধীরা যদি চুরি করার তথ্যগুলোকে আরও উন্নত পণ্যসামগ্রী প্রস্তুতের উদ্দেশে বা কোন ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে ব্যবহার করে, তবে তাতে একটি বিরাট ও অপূরণীয় অংকের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। এদিকে এ বছরের মার্চে ম্যাকাফি হ্যাকিং অভিযানের পরিধি ও বিস্তার সম্পর্কে জানতে পেরেছে। নিরাপত্তা ভেঙে হ্যাকিংয়ের ঘটনা ২০০৬ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে ধীরে ধীরে এতোটা ব্যাপক আকার ধারণ করতে শুরু করে। তবে এখনও হ্যাকিংয়ের আরও অনেক ঘটনা অজানা রয়ে গেছে। এদিকে ম্যাকাফি বলেছে, হ্যাকাররা রিমোট অ্যাকসেস টুল্‌ (আরএটি) বা দূরবর্তী কম্পিউটারের নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ার বিশেষ একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করছে, যা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও ব্যবহার করে থাকেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, কিছু কিছু সাবাইবার হামলা শুধু এক মাস স্থায়ী ছিল। তবে, সবচেয়ে দীর্ঘ সময় যে সাইবার আক্রমণটি হয়েছিল, সেটির স্থায়িত্ব ছিল ২৮ মাস। এ হামলাটি হয়েছিল অলিম্পিক কমিটি অব অ্যানআনআইডেন্টিফাইড এশিয়ান নেশন সংস্থাটির উপর। এ প্রসঙ্গ দিমিত্রি অ্যালপেরোভিচ বলেছেন, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও সরকারি সংস্থাগুলো প্রতিদিন ছিনতাই ও লুণ্ঠনের শিকার হচ্ছে। তিনি বলেন, তারা অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি হারাচ্ছে। অসাধু ও অসৎ প্রতিদ্বন্দ্বীদের হাতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চলে যাচ্ছে। অ্যালপেরোভিচ আরও বলেন, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি চুরি হওয়ার ক্ষেত্রে এটাই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘটনা। তিনি বলেছেন, যে পর্যায়ে এ ধরনের হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটছে, তা সত্যিকার অর্থেই অত্যন্ত ভয়াবহ।

1) নিজের চেষ্টায় যারা কোটিপতি

তারা হতে পারেন বয়সে যুবক। নানাভাবে বিশ্বের বিভিন্ন মিডিয়ায় আলোচিত। তারা নিজের চেষ্টায় বানিয়েছেন কোটি কোটি ডলার। এক সময় ছুটতেন অর্থের পেছনে। কিন্তু এখন অর্থ ছুটে তাদের পেছনে। নিজের চেষ্টায় এমন কোটিপতি হয়ে ওঠা ৭ যুবকের কথা এখানে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।





ইয়ুসাকু মায়েজাওয়া
তিনি একসময় সিডি বিক্রি করে বেড়াতেন। সাবেক এক রক সংগীতশিল্পী। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে তিনি অনলাইনে টি-শার্ট বিক্রি শুরু করেন। তখন ই-কমার্সে অধিক সফল প্রতিষ্ঠান জোজোটাউন (Zozotown) এর পাশাপাশি তিনি শুরু করেন একটি কোম্পানি। এর নাম দেন স্টার্ট টুডে। এই কোম্পানিটি স্থাপিত হয় ২০০৫ সালে। এর পরে প্রতি বছরে এর পরিধি দ্বিগুণ আকারে বাড়তে থাকে। এখন জোজোটাউনের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৩০ লাখের ওপরে। মায়েজাওয়ার বয়স এখন ৩৫। এরই মধ্যে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও তার অর্থের পরিমাণ ফুলেফেঁপে উঠছে।






মার্ক জুকারবার্গ
তার বয়স মাত্র ২৬ বছর। এই বয়সেই তিনি ই-দুনিয়ায় গড়ে তুলেছেন এক সাম্রাজ্য। তিনি হার্ভার্ডের ছাত্র। এক সময় তিনি বানিয়ে ফেলেছিলেন ক্ষুদ্র পরিসরে একটি ওয়েবসাইট। তার নাম দিয়েছিলেন ফেসবুক। এ নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। তবে এর সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটটি নির্মাণের পিছনে জুকারবার্গের যে কঠোর শ্রম ও মস্তিষ্কের শক্তি প্রয়োজন হয়েছিল তা ততক্ষণে অনেকেই জানেন না। ধীরে ধীরে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তার ফেসবুক এখন সারা বিশ্বের ছোট্ট শিশু পর্যন্ত ব্যবহার করে। তিনি এরই মধ্যে ১৩৮০ কোটি ডলারের মালিক হয়ে গেছেন। এই বিশাল আয় থেকে তিনি মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দান করেন। সমপ্রতি তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তার জীবদ্দশায় অথবা মৃত্যুর আগে অর্জিত সম্পদের অর্ধেক বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় দান করে যাবেন।








ইয়োশিকাজু তানাকা
তার বয়স মাত্র ৩৪। তিনি মার্ক জুকারবার্গকে দেখে সামাজিক ওয়েবসাইট গড়েছেন। এর নাম গ্রি (Gree)। এরই মধ্যে এই ওয়েবসাইটটি জাপান মাত করে দিয়েছে। আর এর ফলে ৩৪ বছর বয়সী তানাকার অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ডলার। তিনি এখানেই থামতে চান না। তিনি সাইটটির বিস্তার ঘটিয়ে দিতে চান সারাবিশ্বে। এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন গ্রি’র একটি নতুন অফিস খুলবেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। এখানে উল্লেখ্য, গ্রি এক ধরনের খেলার প্রকাশ থেকে এসেছে।






ডাস্টিন মোস্কোভিট্‌জ
তিনি ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের চেয়ে মাত্র ৮ দিনের ছোট। তারও বয়স ২৬ বছর। তিনি জুকারবার্গের হার্ভার্ডের রুমমেট ছিলেন। ফেসবুকের তিন নম্বর চাকরিজীবী ছিলেন তিনি। ফেসবুকের প্রথম চিফ টেকনোলজি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ভাইস প্রেসিডেন্ট অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এরই মধ্যে তিনি ২৭০ কোটি ডলারের মালিক হয়ে গেছেন। ২০০৮ সালে তিনি ফেসবুক ছাড়েন। এরপর নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন। এর নাম দেয়া হয়েছে আসানা (Asana)।








ওলেগ বাখমাতইয়ুক
তার বয়স ৩৫ বছর। তিনি ইউক্রেনে সবচেয়ে বেশি মুরগির ডিম উৎপাদন করেন এবং তা রপ্তানি করেন। তিনি আভাঙ্গার্ড-এর বেশির ভাগের মালিক। এর আগে তিনি দেশের গ্যাস ও তেল ইন্ডাস্ট্রিজে কাজ করতেন। সেখান থেকে তিনি নিজেই ফিরে গিয়ে ডিম উৎপাদনে লেগে যান। এক পর্যায়ে তিনি ভাবলেন, এই ডিম বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও ছড়িয়ে দিতে হবে। সেখান থেকেই তার ভাগ্য খুলে যায়।








সার্গেই ব্রিন
৩৮ বছর বয়সী এই তরুণের নাম আমরা অনেকে না-ও জানতে পারি। কিন্তু তার বানানো ওয়েবসাইট আজ আমরা ব্যবহার করছি। তিনি রাশিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার সায়েন্টিস্ট এবং ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। বলা হয়, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইন্টারনেট কোম্পানি। এ বছরের হিসাব অনুযায়ী তার ব্যক্তিগত অর্থের পরিমাণ ১৯৮০ কোটি ডলার।








সিয়াওফেং পেং
তিনি ৩৬ বছর বয়সী যুবক। সূর্যরশ্মিকে ব্যবহার করে অর্থের খনি বানিয়েছেন। তিনি এলডিকে সোলার কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী অফিসার। ২০০৫ সালের জুলাইয়ে তিনি এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। তা বিকশিত হয় ২০০৭ সালে। এখনও এই কোম্পানির অর্থের পরিমাণ ১৮০ কোটি ডলার। তার মধ্যে পেং-এর নিজের অর্থের পরিমাণ ১৫০ কোটি ডলার।

৫ই নভেম্বর ফেসবুক ধ্বংসের অঙ্গীকার

আগামী ৫ই নভেম্বর ফেসবুক ধ্বংসের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে হ্যাকিং সংস্থা অ্যানোনিমাস। হ্যাকাররা এদিন সাইবার হামলা পরিচালনার মাধ্যমে ফেসবুকের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। এর নাম দেয়া হয়েছে অপারেশন ফেসবুক বা ফেসবুক ধ্বংস অভিযান। একটি ভিডিওর মাধ্যমে এ হুমকি দেয়া হচ্ছে।

 অ্যানোনিমাসের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বা প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানকে ফেসবুক ব্যবহারকারী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করছে। ওই ভিডিওতে অ্যানোনিমাসের লোগোর একটি ছবি রয়েছে। একটি ডিজিটাল কণ্ঠস্বর সতর্ক করে বলছে, ফেইসবুককে ধ্বংস করে দেয়া হবে। শুধু তাই নয়, সম্ভাব্য হ্যাকারদেরও ফেসবুক ধ্বংসের ব্যাপারে উৎসাহ যোগানো হচ্ছে ভিডিওটির মাধ্যমে। এতে বলা হচ্ছে, ফেসবুক ধ্বংস অভিযানে আপনিও যোগ দিন। আর আপনার ব্যক্তিগত স্বার্থ সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্যই তা করুন। এতে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিক্রি ও পাচার করছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক বিভিন্ন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কাছে গোপনে তথ্য সরবরাহ করছে। ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে তারা মানুষের ওপর নজরদারি করতে পারছে। মিশর ও সিরিয়ার মতো কর্তৃত্বপরায়ণ সরকারের অধীনে এসব নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কাজ করছে। এতে বলা হয়েছে, ফেসবুকে আপনি যাই করবেন, তার সবগুলো তথ্যই এতে থেকে যায়। আপনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবর্তন করলেও এর কোন সুরাহা সম্ভব নয়। অবশ্য ভিডিওটি নিছক মজা করার উদ্দেশ্যে ছাড়া হয়েছে নাকি তা সত্যিকার অর্থেই কোন হুমকি- সে বিষয়টি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। হ্যাকিং গ্রুপ অ্যানোনিমাসের এক কর্মকর্তা ভিডিওটিকে নিছক গুজব রটানোর উদ্দেশ্যে ছাড়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে হ্যাকিং গ্রুপটির কোন সম্পৃক্ততা নেই। কয়েক ঘণ্টা পরে এ বিবৃতিতে পরিবর্তন এনে বলা হয়, অ্যানোনিমাসের ক’জন সদস্য এ ফেসবুক অপারেশনের পরিকল্পনা করছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তার মানে এই নয় যে, অ্যানোনিমাস হ্যাকিং গ্রুপের সব সদস্যই এ অভিযানের সঙ্গে একমত।

Graphics card - গ্রাফিক্স কার্ড কী?

Cooling System

প্রথম কথা: গ্রাফিক্স কার্ড কী?

গ্রাফিক্সকার্ড হল মাদারবোর্ড এর সাথে সংযুক্ত এমন একটি ডিভাইস যেটা এক বা একাধিকমনিটরে দেখার জন্য ভিডিও আউটপুট তৈরী করে, এবং অন্যান্য ডিভাইস যেমনক্যাপচার কার্ড, টিভি, হোম থিয়েটার, মিউজিক সিস্টেম ইত্যাদি এ ভিডিওদেখানোর কাজে সাহায্য করে। আজকাল গ্রাফিক্স কার্ড এর সাথে ইন্টিগ্রেটেডসাউন্ড ডিভাইস থাকে। ফলে ভিডিও এর পাশাপাশি অডিও আউটপুটও পাওয়া যায়।

গ্রাফিক্স কার্ডে কী কী থাকে?

কোর ক্লক:

আগেইবলেছি যে এটা ভিডিও আউটপুট দিয়ে থাকে। এই কাজের জন্য সকল গ্রাফিক্স কার্ডেথাকে একটি ‘কোর ক্লক’ যেটা মাদারবোর্ড এর আসল প্রসেসরের মতই কাজ করে এবংনিজস্ব ফ্রিকোয়েন্সি রয়েছে। এটাকে বলা হয় GPU বা Graphics ProcessingUnit. এর স্পীড ২৫০ মেগাহার্টজ থেকে ৪ গিগাহার্টজ পর্যন্ত হয়ে থাকে। এইGPU যেকোন ছবিকে প্যারালাল পদ্ধতিতে পিক্সেলের পর পিক্সেল আকারে সাজিয়েছবি তৈরী করে। পিক্সেল (Picture থেকে Pix আর Element থেকে el নিয়েইPixel)  হল যেকোনো ছবির ক্ষুদ্রতম অংশ যার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে, এবং তালাল, নীল আর সবুজ ডট বা ফোঁটার সমন্বয়ে গঠিত।

ভিডিও বায়োস:

মাদারবোর্ডএর বায়োসের মতই গ্রাফিক্স কার্ড এর বায়োস অন্যান্য ডিভাইস ও অপারেটিংসিস্টেম এর কার্নেলের সাথে সংযোগ রক্ষা করে। এখানে কার্ডের ভোল্টেজ,মেমরি, ফ্যান স্পীড ইত্যাদি নিয়ে সেটিংস দেওয়া থাকে। অবশ্য এগুলো পরিবর্তনকরে আরো বেশী পারফরমেন্স পাওয়া সম্ভব।

ভিডিও মেমরি:

র‍্যামেরমতই গ্রাফিক্স কার্ডেও মেমরি থাকে যেটাকে ভিডিও মেমরি বলা হয়। বর্তমানেDDR ধরনের মেমরি নিয়ে গ্রাফিক্স কার্ড তৈরী করা হচ্ছে। DDR মানে হল DoubleData Rate. অর্থাৎ গ্রাফিক্স কার্ডটি কি হারে ডাটা আদান প্রদান করবে তানির্ভর করে এই মেমরি এর উপর। বিভিন্ন ধরণের মেমরি লেআউট রয়েছে। যেমন DDR,DDR2,  GDDR3, GDDR3, GDDR5. মেমরির সাথে ক্লক স্পীডের সম্পর্ক আছে। নিচেরছকে দেখে নিন কোন ধরণের মেমরিতে ক্লক স্পীড আর ডাটা রেট কত।
Memory Type

ভিডিও আউটপুট:

গ্রাফিক্সকার্ডের বাকি যা থাকে তা হল ভিডিও দেখানোর একটা ব্যাবস্থা। অর্থাৎ ভিডিওআউটপুট কোন মনিটর বা ডিসপ্লে ডিভাইস এ পাঠানোর উপায়। বিভিন্ন ইন্টারফেসআছে যার মাধ্যমে এটা করা হয়। চলুন দেখে নিই কিভাবে –
১. ভিজিএ:
এটাVideo Graphics Array এর ছোট্ট ফর্ম। এটা বহুল ব্যাবহৃত আর জনপ্রিয় একটিইন্টারফেস। ১৫ পিন বিশিষ্ট সকেটের মাধ্যমে ভিডিও পাঠানো হয়। এটা RGB এরমাধ্যমে সিগনাল প্রেরণ করে। ছবিটা দেখলেই চিনতে পারবেন।
VGAVGA Port
২. এইচডিএমআই:
সম্প্রতিএটা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কারন ক্ষুদ্র পোর্ট আর হাইডেফিনিশান আউটপুটেরকারনে। প্রায় সকল গ্রাফিক্স কার্ডে অন্তত একটি এইচডিএমআই পোর্ট থাকে।High-Definition Multimedia Interface কে HDMI বলা হয়। ছবি দেখুন।
HDMI
HDMI Port
৩. ডিভিআই:
DigitalVisual Interface থেকেই ডিভিআই এসেছে। এটা ২৪ পিন বিশিষ্ট পোর্ট যা নয়েজছাড়া ছবি দেখাতে ব্যাবহৃত হয়। সকল এলসিডি ও এলইডি মনিটরে এটা থাকে কারণডিভিআই দিয়ে ফ্ল্যাট স্ক্রিনে ছবি অনেক ভালো দেখা যায়। এটা দেখতে এরকম।
DVI
DVI Port
৪. এস-ভিডিও:
SeparatedVideo থেকেই বলা হয় এস-ভিডিও। বিভিন্ন ডিভিডি প্লেয়ার, টিভি ইত্যাদি এভিডিও দেখানোর জন্য এটা জনপ্রিয়। তবে আধুনিক গ্রাফিক্স কার্ডে এইচডিএমআইএর প্রসারের কারণে এটা আর ব্যাবহার করা হয়না। এর পোর্ট দেখতে এরকম –

অন্যান্য যা যা থাকে:

কোরক্লক খুব বেশি গরম হয়ে যাওয়ার কারণে ঠান্ডা করতে হিট সিঙ্ক বা ফ্যানব্যাবহৃত হয়। হাই-এন্ড পিসি তে ঠান্ডা করতে লিকুইড কুলিং সিস্টেম ব্যাবহৃতহয়। কিছু কার্ডে পাওয়ার দেওয়ার জন্য আলাদা কানেক্টর থাকে। এখানে পাওয়ারসাপ্লাই থেকে জ্যাক লাগানো হয়। লিকুইড কুলিং সিস্টেম দেখতে এরকম –

গ্রাফিক্স কার্ড কোথায় কিভাবে লাগানো থাকে?

প্রথমদিকে১৯৯৩ সালের দিকে গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ড এ যে সকেটে লাগানো হত তার নামছিল পিসিআই বা Peripheral Component Interconnect. এটা প্যারালাল পদ্ধতিতেকাজ করত। পরে ইন্টেল ১৯৯৭ এ AGP (Accelerated Graphics Port) নামে পোর্টতৈরী করে। এটা প্যারালাল পদ্ধতিতে কাজ করতে বলে অনেক ধীরগতির ছিল। অনেকেগ্রাফিক্স কার্ডকে এজিপি কার্ড বলেন যা সম্পুর্ণ ভুল কারণ এজিপিতে ৩টাখাঁজ থাকত আর বর্তমানে পিসিআই গ্রাফিক্স কার্ডে ২টা খাঁজ থাকে। ২০০৪ এর পরবাজারে নতুন পোর্টযুক্ত মাদারবোর্ড আসে যাকে পিসিআই-ই বলা হয়। PCI-e এরফুল ফর্ম PCI-Express. উল্লেক্ষ্য যে PCIe পোর্টে শুধু গ্রাফিক্স কার্ডনা, অন্যান্য সাউন্ড কার্ড, ল্যান কার্ড, ওয়াইফাই কার্ডও লাগানো হয়।একারণে অনেক মাদারবোর্ড এ একাধিক PCIe স্লট থাকে।
নিচের ছকে দেখে নিন বিভিন্ন এজিপি, পিসিআই আর পিসিআই-ই এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য -
AGP-PCI-PCIe
পিসিআই-ই এর পরে x বসিয়ে কার্ডের পিন সংখ্যা আর দৈর্ঘ্য বোঝানো হয়। নিচের ছক দেখুন।
x
এই দেখুন বিভিন্ন ধরণের পিসিআই স্লট -
pci

পাওয়ার সাপ্লাই:

গ্রাফিক্সকার্ড হল বিশিষ্ট পাওয়ার খাদক। যাদের ভালো গ্রাফিক্স কার্ড আছে তারা ভালোজানেন যে এটা কী পরিমাণ এনার্জি খায় এবং গরম হয়। গ্রাফিক্স কার্ড থেকেভালো আউটপুট পেতে অবশ্যই ভালো মানের পাওয়ার সাপ্লাই ব্যাবহার করা প্রয়োজন।মনে রাখা দরকার যে কেসিং এর সাথে যে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট দেওয়া থাকে সেটাকখনোই আসল নয়। জেনে রাখুন যে ৪০০ ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাইয়ের দাম কয়েক হাজারটাকা। সেখানে একটা কেসিং মাত্র দেড় বা দুই হাজার টাকা দামের হয়। ভালব্র্যান্ডের যেমন থার্মালটেক এর পাওয়ার সাপ্লাই ব্যাবহার করলে ভালো হবে।নিচের ছবিটা দেখুন গ্রাফিক্স কার্ড এতটাই গরম হয় যে ডিমও সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।
Egg

বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স কার্ড নিয়ে কিছু কথা

বলতেগেলে প্রতিটা মাদারবোর্ডেই বিল্ট-ইন জিপিইউ থাকে। এটা আসলে প্রসেসরের কিছুঅংশ ব্যাবহার করে ভিডিও প্রসেস করতে। আর ফিজিকাল র‍্যামের একটা অংশব্যাবহার করে ভি-র‍্যাম হিসেবে। এটার কোর ক্লক স্পীড খুবই কম হয়। এইগ্রাফিক্স কার্ড দিয়ে চলার মত সকল কাজ করা গেলে কখনোই রিচ-অ্যাপ্লিকেশানচালানো সম্ভব নয়। তাই কম ক্ষমতার হলেও আলাদা গ্রাফিক্স কিনে নেওয়াই উত্তম।

গ্রাফিক্স কার্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান

ভেবেঅবাক হবেন যে গ্রাফিক্স কার্ড নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক। কিভাবছেন? আজ পর্যন্ত এটিআই, এনভিডিয়া আর ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ছাড়া তোকিছুই শুনলাম না, এটা কি ধরনের কথা? আসলে আমি আপনি দুজনই সঠিক। জিপিইউ বাপ্রসেসর চিপ তৈরী করে মুলত এএমডি, এনভিডিয়া আর ইনটেল। সেটাকে কাজে লাগিয়েকার্ড বানায় এটিআই, এমএসআই, আসুস, বায়োস্টার, ফক্সকন, গিগাবাইট,এক্সএফএক্স, স্যাফায়ার ইত্যাদি কোম্পানি।
এএমডি:১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি বাজারে অনেক এগিয়ে আছে তাদের অত্যাধুনিকডিভাইসগুলোর কারণে। গত বছরগুলোতে মার্কেটে এদের শেয়ার তুলনামূলকভাবেবেড়েছে। এরা মাইক্রোপ্রসেসর, চিপসেট, জিপিইউ ইত্যাদি তৈরী করে বাজারে বেশসুনাম গ্রহন করেছে। সবার আগে ৬৪-বিট প্রসেসর তৈরীর কৃতিত্বস্বরুপ amd64মডেল আজো পরিচিত।
amd
এনভিডিয়া:নতুন কিন্তু খুব দ্রুত বাজারে নামডাক ফেলে দেওয়া এই কোম্পানি ১৯৯৩ সালেপ্রতিষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র জিপিইউ তৈরীতে এদের জুড়ি শুধু এএমডি নিজেই।বিভিন্ন ফ্যামিলির এবং অনন্য ফিচারের কারণে এদের ভিডিও কার্ড সুপরিচিত।
nVIDIA
ইনটেল:চিপ জায়ান্ট নামে খ্যাত এই কোম্পানি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ভিডিওএক্সিলারেটর, মাদারবোর্ড, প্রসেসর, নেটওয়ার্ক ডিভাইস ইত্যাদি তৈরীতে ইনটেলসুপরিচিত। এদের তৈরী ভিডিও চিপসেট বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স হিসেবে সকলব্র্যান্ডের কম্পিউটার, ল্যাপটপে বহুলভাবে ব্যাবহৃত হয়।
Intel

গ্রাফিক্স কার্ডের কতগুলো বিষয় যা দেখে কিনবেন


  • ট্রানজিস্টর সংখ্যা: কার্ডে যত বেশি ট্রানজিস্টর থাকবে, নয়েজ তত কম হবে, ভিডিও তত বেশি ভালোভাবে ফিল্টার হবে।
  • ক্লক স্পীড: এটা যত ভালো এবং বেশি হবে তত ভাল পারফরমেনস পাবেন। এটার দিকে নজর দিন।
  • মেমরি: এটাও আগে আলোচনা করেছি। এখন ১ জিবি থেকে ৪ জিবি পর্যন্ত কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী দেখুন কোনটা লাগে।
  • মেমরি টাইপ: DDR,DDR2, GDDR3, GDDR4, নাকি GDDR5 তা দেখে নিন। যত ভালো হবে, তত ভালোপারফরমেন্স পাবেন। অবশ্য GDDR5 এর দাম একটু বেশি। জেনে রাখুন যে আপনারমাদারবোর্ড এর র‍্যাম DDR2 না DDR3 তার সাথে এটার কোন সম্পর্ক নেই।
  • বাস স্পীড: মেমরিবাস হল প্রসেসরটি একবারে কতটুকু ডাটা নিয়ে কাজ করে। বাস বেশি হলে খুবদ্রুত আউটপুট পাবেন। আবার বাস খুব বেশি হলে পাওয়ার খরচ তো বেশি হবেই, তারউপর আপনার মনিটর ছোট হলে বাস অব্যাবহৃত থাকবে।
  • পিসিআই ভার্সন: আপনারমাদারবোর্ড এর স্লট কোনটি তা দেখে কিনবেন। ধরুন আপনার PCIe x8, কিন্তুআপনি PCIe x16 2.0 কিনে আনলেন। তাহলে সেটা কাউকে দিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।
  • ডিরেক্ট এক্স সাপোর্ট: ডিরেক্টএক্স হল মাইক্রোসফট এর অনন্য সংযোজন। নতুন নতুন হার্ডওয়্যার, ভিডিওএক্সিলারেশানের জন্য এটি অপরিহার্য। এর নতুন ভার্সন ১১। তাই গ্রাফিক্সকার্ড নতুন ভার্সন এর ডিরেক্ট এক্স সাপোর্ট করে কিনা দেখে নিন।
  • পিক্সেল শেডার: ভিন্নমাত্রার পিক্সেল এবং আলোর তুলনামূলক প্রসেসিং এবং বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতেপিক্সেল শেডার প্রয়োজন। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড কত সাপোর্ট করে তা দেখেনিবেন। বর্তমানে এর ৫ ভার্সন রয়েছে।
  • ওপেন জি-এল: এটিহল ভিডিও প্রসেসিং-র জন্য অসংখ্য লাইব্রেরি ফাংশনের সমাহার, যেটা আউটপুটকেআরো দ্রুততর করে। কেনার সময় এটা সাপোর্ট করে কিনা এবং কত ভার্সন তা দেখেনিবেন।
  • অ্যান্টি-অ্যালাইজিং: এটা ব্যাবহার করেছবির ফেটে যাওয়া বা ঘোলাটে ভাব দূর করা যায়। বিভিন্ন গেম ও অ্যাপ এ এটাখুবই ব্যাবহৃত হয়। তাই এই ফিচার আছে কিনা দেখে নিন।
  • ম্যাক্স আউটপুট:আপনার মনিটর যদি ১৬০০ বাই ১২০০ রেজোলিউশানের হয় তাহলে নিশ্চয়ই ১০২৪ বাই৭৬৮ আউটপুটের গ্রাফিক্স কিনবেন না। বর্তমানে সব কার্ডের আউটপুট ১৬০০ বাই১২০০ থেকে ২৫৬০ বাই ১৬০০ এর মাঝে। তাই এটা আপাতত অত ভাবনার বিষয় না।
  • পাওয়ার ফ্যাক্টর: কার্ডটিকত ওয়াট সাপ্লাই চায় তা দেখুন। প্রয়োজনীয় পাওয়ার দিতে না পারলে কাজ করতেযেয়ে আটকে যাবে। ক্ষতিও হতে পারে। সাধারনত ৪০০ থেকে ৮০০ ওয়াট সাপ্লাইদরকার। লাগলে আপনার পিএসইউ আপডেট করুন।
  • মাল্টি আউটপুট: আপনিযদি একসাথে দুই বা ততোধিক মনিটরে দেখতে চান তাহলে এটা আপনার দরকার। খেয়ালকরে দেখবেন যে প্রায় সব কার্ডেই দুই বা তিনের বেশি পোর্ট থাকে। এগুলোদেওয়া হয় যেন একই সাথে সকল মনিটরে দেখা সম্ভব হয়।
  • রিফ্রেশ রেট: আউটপুটকত রেটে পাবেন, অর্থাৎ মনিটরে কত হার্টজে ভিডিও আসবে তা দেখে নিন। এরডিফল্ট মান ৬০। তবে সিআরটি মনিটরে ৬০ এর নিচে দাগ বা ফ্লিকিং দেখা যায়।কিছু মনিটর ৭৫ হার্টজ এর নিচে দেখাতে সক্ষম না। তাই আপনার মনিটর এর জন্যকোনটা দরকার তা দেখে নিবেন।
  • মাল্টি-জিপিইউ: এটাডাই-হার্ড গেমারদের জন্য। যদি একটা ভিডিও কার্ড নিয়ে আপনার মন না ভরেতাহলে একের বেশি কার্ড লাগানো সম্ভব এরকম কার্ড কিনুন। আর সেই সাথেমাল্টি-জিপিইউ সাপোর্ট করে এরকম মাদারবোর্ডও কিনতে হবে আপনাকে। এনভিডিয়াআর এএমডি দুটাই মাল্টি-জিপিইউ সিস্টেম সাপোর্টেড চিপ তৈরী করে।
  • এনার্জি সেভিং: আপনারচিপটি কাজের পাশাপাশি দূর্ণীতি করে আপনার বিদ্যুৎ বিল উঠাচ্ছে কিনা তারদিকে খেয়াল রাখবেন। এই জন্য এনার্জি স্টারের রেটিং দেখে কার্ড কিনুন।
  • সফটওয়্যার সাপোর্ট: আপনিযে সিস্টেম এ কাজ করেন সেই সিস্টেমে কার্ড এর ড্রাইভার পাবেন কিনা তা দেখেনিন। এখন এএমডি উইন্ডোজ, লিনাক্স আর ম্যাকের জন্য অফিসিয়ালি ড্রাইভারদিচ্ছে। তাই পছন্দ আপনার।

গ্রাফিক্স কার্ড-সহ ল্যাপটপ কেনার সময় যা যা খেয়াল করবেন

  • ল্যাপটপচলে ব্যাটারীতে। তাই কার্ড যদি বেশি পাওয়ার খরচ করে তাহলে দ্রুত চার্জ শেষহবে, ব্যাটারীও নষ্ট হবে। তাই ওয়েবসাইটে খুঁজে দেখে নিন কোনটার পাওয়ারকনজাম্পশান কেমন। যেমন এটিআই ৪৬৭০ এর চেয়ে ৫৪৭০ বেশি ভালো। কিন্তু ৪৬৭০অনেক কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার করে।
  • ল্যাপটপে গ্রাফিক্স কার্ড এর কারণেতৈরী হওয়া তাপ ঠিকমত বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত এয়ার ভেন্ট আছে কিনা বাসেগুলো সহজেই ব্লক হয়ে যায় কিনা।
  • ল্যাপটপ এর গ্রাফিক্স কার্ড নষ্ট হলে ঠিক করা বেশ দূরুহ ব্যাপার। তাই ভালো রিভিউ এবং কনফিগারেশান দেখে কিনুন।

এবার আসুন দেখে নেই কয়েকটি শক্তিশালী গ্রাফিক্স কার্ড এর ছবি

যাদের ল্যাপটপে ডিসক্রিট জিপিইউ আছে তারা জানতে চান না যে মোবাইল গ্রাফিক্স কার্ড কেমন হয়? এই দেখুন -
আর যাদের কোনোটাই নেই, অর্থাৎ বিল্ট-ইন, তারা মন খারাপ করবেন না। ইনটেল গ্রাফিক্স মিডিয়া এক্সিলারেটর চিপটি দেখতে এরকম -
মাল্টি-জিপিইউ সহ মাদারবোর্ডগুলো দেখতে এরকম -

গ্রাফিক্স কার্ড ভালো রাখার টিপস:

  • ড্রাইভার আপডেট রাখুন।
  • তাপমাত্রা মনিটর করুন। বেশি গরম হয়ে গেলে পিসি অফ করে ঠান্ডা হতে দিন। ফ্যান কন্ট্রোল করতে সফটওয়্যার ব্যাবহার করুন।
  • না জেনে এবং অভিজ্ঞ কারো সাহায্য ছাড়া ওভারক্লকিং এর কথা চিন্তাও করবেন না।
  • কিছুদিন পর পর মাদারবোর্ড থেকে কার্ড খুলে স্লট পরিষ্কার করুন।
  • যথেষ্ট পাওয়ার সাপ্লাই ব্যাবহার করুন।
  • পারলে আমার মত সবসময় কেসিং খুলে রাখুন যেন দক্ষিণা হাওয়ায় গ্রাফিক্স কার্ড ভেসে যেতে পারে। (আনঅথোরাইজড টিপস)

বোনাস:

জানতেচান আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের ক্লক স্পীড, মেমরি, ট্রানজিস্টর সংখ্যা,মেমরি টাইপ ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য? এক্ষুণি ডাউনলোড করে নিন নিচেরসফটওয়্যারটি।

ডাউনলোড GPU-Z

আরউইন্ডোজ ব্যাবহারকারীরা ডেক্সটপে গ্রাফিক্স কার্ড এর ক্লক স্পীড, মেমরিফ্রিকোয়েন্সি, ফ্যান স্পীড ইত্যাদি তথ্য জানতে চাইলে ডাউনলোড করে নিন GPUMeter নামের গ্যাজেটটি।

ডাউনলোড GPU Meter

Blogger templates

.