News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

৫ই নভেম্বর ফেসবুক ধ্বংসের অঙ্গীকার

আগামী ৫ই নভেম্বর ফেসবুক ধ্বংসের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে হ্যাকিং সংস্থা অ্যানোনিমাস। হ্যাকাররা এদিন সাইবার হামলা পরিচালনার মাধ্যমে ফেসবুকের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। এর নাম দেয়া হয়েছে অপারেশন ফেসবুক বা ফেসবুক ধ্বংস অভিযান। একটি ভিডিওর মাধ্যমে এ হুমকি দেয়া হচ্ছে।

 অ্যানোনিমাসের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বা প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানকে ফেসবুক ব্যবহারকারী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করছে। ওই ভিডিওতে অ্যানোনিমাসের লোগোর একটি ছবি রয়েছে। একটি ডিজিটাল কণ্ঠস্বর সতর্ক করে বলছে, ফেইসবুককে ধ্বংস করে দেয়া হবে। শুধু তাই নয়, সম্ভাব্য হ্যাকারদেরও ফেসবুক ধ্বংসের ব্যাপারে উৎসাহ যোগানো হচ্ছে ভিডিওটির মাধ্যমে। এতে বলা হচ্ছে, ফেসবুক ধ্বংস অভিযানে আপনিও যোগ দিন। আর আপনার ব্যক্তিগত স্বার্থ সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্যই তা করুন। এতে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে ফেসবুক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিক্রি ও পাচার করছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক বিভিন্ন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কাছে গোপনে তথ্য সরবরাহ করছে। ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে তারা মানুষের ওপর নজরদারি করতে পারছে। মিশর ও সিরিয়ার মতো কর্তৃত্বপরায়ণ সরকারের অধীনে এসব নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কাজ করছে। এতে বলা হয়েছে, ফেসবুকে আপনি যাই করবেন, তার সবগুলো তথ্যই এতে থেকে যায়। আপনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবর্তন করলেও এর কোন সুরাহা সম্ভব নয়। অবশ্য ভিডিওটি নিছক মজা করার উদ্দেশ্যে ছাড়া হয়েছে নাকি তা সত্যিকার অর্থেই কোন হুমকি- সে বিষয়টি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। হ্যাকিং গ্রুপ অ্যানোনিমাসের এক কর্মকর্তা ভিডিওটিকে নিছক গুজব রটানোর উদ্দেশ্যে ছাড়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে হ্যাকিং গ্রুপটির কোন সম্পৃক্ততা নেই। কয়েক ঘণ্টা পরে এ বিবৃতিতে পরিবর্তন এনে বলা হয়, অ্যানোনিমাসের ক’জন সদস্য এ ফেসবুক অপারেশনের পরিকল্পনা করছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তার মানে এই নয় যে, অ্যানোনিমাস হ্যাকিং গ্রুপের সব সদস্যই এ অভিযানের সঙ্গে একমত।

Live TV - NDTV24x7


1) মানব শরীরকে সংরক্ষণ করে রাখার পদ্ধতি - প্লাস্টিনেশন




মানব শরীরকে সংরক্ষণ করে রাখার পদ্ধতি - প্লাস্টিনেশন









 Oberhausen; 29.01.2000: Anstatt Leichen in formalingefüllten Behältern zu konservieren, arbeitet der Anatom Gunther von Hagens nach einem von ihm entwickelten Verfahren, das er Plastination nennt. Er entzieht dem Gewebe Wasser und Fett und füllt es mit Kunststoff. Der härtet aus, so dass die Organe plastisch bleiben. Sie sind ewig haltbar, geruchsfrei und nicht mehr in einem Glas versteckt. Von Hagens hat die Ausstellung



 



আমাদের এই মানব দেহ অপার রহস্যের আঁধার৷ তাই মৃত্যুর পরও এই মানব শরীরকে
সংরক্ষণ করে রাখার চেষ্টা বহুদিনের৷ মানবদেহ সংরক্ষণ করে রাখার আধুনিক যে
পদ্ধতি, তার নাম প্লাস্টিনেশন৷ যার জনক জার্মান বিজ্ঞানী গ্যুন্টার ফন
হাগেন্স৷




 মানব শরীরকে টিকিয়ে রাখার জন্য শত শত বছর ধরে মানুষ নানাভাবে
চেষ্টা করে আসছে৷ সেই প্রাচীন মিশরের মমি থেকে শুরু করে আধুনিক জগতের
প্লাস্টিনেশন৷ শুরুতে লক্ষ্যটা ছিলো ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে৷ কিন্তু আধুনিক
বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে এই দেহ সংরক্ষণের উদ্দেশ্য হয়েছে
শরীরকে চেনা ও জানা৷ মানব শরীরের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অপার রহস্যকে খুঁজে
বের করা৷





১৯৭৭ সালে জার্মান বিজ্ঞানী গ্যুন্টার ফন হাগেন্স এই প্লাস্টিনেশন
পদ্ধতি আবিষ্কার করেন৷ প্লাস্টিনেশন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘প্লাসিন'
থেকে যার অর্থ আকৃতিতে রূপ দেওয়া৷ প্লাস্টিনেশনের মাধ্যমে কেবল জৈবিক
শরীরের অঙ্গ ও কোষ নয়, গোটা শরীরকেও সংরক্ষণ করা হয়৷





***Das Pressebild darf nur in Zusammenhang mit einer Berichterstattung über die Ausstellung verwendet werden*** Schachspieler<br />Copyright: Gunther von Hagens, Institut für Plastination, Heidelberg, www.koerperwelten.de মানুষ মারা যাওয়ার পর থেকেই তার শরীর দ্রুত পচতে শুরু করে যাকে বলা হয়
‘ডিকম্পোজিশন'৷ প্রথমে শরীরে থাকা এনজাইম কোষগুলো অবমুক্ত হতে শুরু করে
এবং এক পর্যায়ে গোটা শরীরে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং মাইক্রোঅর্গানিজমগুলো
পচতে শুরু করে৷ শরীরে থাকা পানি এবং চর্বি সরিয়ে তার জায়গায় পলিমার ঢুকিয়ে
প্লাস্টিনেশন এই পচে যাওয়াকে রোধ করে৷ প্লাস্টিনেশন শরীরের
ব্যাকটেরিয়াগুলোকে টিকে থাকতে দেয় না, ফলে শরীরও আর পচতে পারে না৷ তবে
শরীরের তরল পদার্থগুলো সরাসরি পলিমারের সংস্পর্শে কাজ করতে পারে না৷  তাই
গ্যুন্টার ফন হাগেন্স একটি বিকল্প ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছেন৷ প্রথমে
শরীরের মধ্যে অ্যাসেটোন নামে দ্রাবক ঢুকানো হয় এরপর তার জায়গায় পলিমার
ব্যবহার করা হয়৷





প্লাস্টিনেশনের মাধ্যমে শরীরকে দুইভাবে সংরক্ষণ করা হয়৷ একটা হলো
কাগজের মত পাতলা করে মৃত শরীরটিকে কেটে কেটে রাখা৷ নয়তো পুরো আস্ত
শরীরটাকেই বিভিন্ন ভঙ্গিতে রেখে দেওয়া৷





প্লাস্টিনেশনের ধাপগুলো এবার আরও সহজভাবে বলি৷ প্রথম পর্যায়ে মৃতদেহটির
ভেতরে ফর্মালিন ঢোকানো হয়৷ ধমনির মাধ্যমে এই ফর্মালিন গোটা দেহে ছড়িয়ে
পড়ে এবং এই ফর্মালিন ব্যকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে৷ ফলে শরীরের কোষগুলোর
‘ডিকম্পোজিশন' বা দ্রুত পচন প্রক্রিয়া থেমে যায়৷ এরপর গোটা শরীরটাকে
অ্যাসেটোন নামক একটি দ্রাবকের চেম্বারে মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
তাপমাত্রায় চুবিয়ে রাখা হয়৷ তবে তার আগে দেহ থেকে পানি এবং অতিরিক্ত চর্বি
সরিয়ে ফেলা হয়৷ উল্লেখ্য, দেহকোষের শতকরা ৭০ ভাগই কিন্তু পানি৷ পরবর্তী
পর্যায়ে অ্যাসেটোনের জায়গায় পলিমার সলিউশন ব্যবহার করা হয়৷ এজন্য
মৃতদেহটিকে একটি ভ্যাকুয়াম চেম্বারের মধ্যে রাখা হয় এবং তার ভেতরে বাতাসের
চাপ আস্তে আস্তে কমানো হয়৷ এক পর্যায়ে চেম্বারে থাকা অ্যাসেটোন ফুটতে
শুরু করে৷ এভাবে কোষে জমে থাকা অ্যাসেটোনগুলো বের হয়ে যেতে শুরু করে৷
চেম্বারের অন্য একটি পাইপ দিয়ে ঢোকানো হয় পলিমার৷ যেমন এই ক্ষেত্রে
ব্যবহার করা হয় সিলিকন রাবার৷ এই সিলিকন রাবার কোষগুলোর ভেতরে প্রবিষ্ট হয়
এবং দেহের সবকোষে এই পলিমার বা সিলিকন রাবার পুরোপুরি প্রবিষ্ট না হওয়া
পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে৷





এভাবে কয়েক সপ্তাহ পার হয়৷ সিলিকন রাবারের কারণে গোটা চেম্বারই একটি
শক্ত টুকরোয় পরিণত হয় যার ভেতরে শুয়ে আছে মৃত মানুষের শরীরটি৷ তারপর সেই
জমাট বাধা শক্ত টুকরোটি বিশেষভাবে কাটা হয়৷ অত্যন্ত পাতলা মাত্র কয়েক
মিলিমিটার চওড়া করে কাটা এসব ফালিগুলোতে একটি মানুষের শরীরের প্রতিটি অংশ
স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে৷ একে বলা হয় শিট প্লাস্টিনেশন৷





তবে মৃতদেহটিকে পলিমারের মধ্যে জমতে না দিয়ে বের করেও আনা যায়৷ এই
ক্ষেত্রে দেহটিকে যে কোন ভঙ্গিতে বসানো কিংবা দাঁড় করানো যায়৷ তবে এইজন্য
বিশেষ পলিমার ব্যবহার করতে হয় যেটা আলো, বাতাস এবং তাপের মধ্যে টিকে
থাকতে পারে৷ এরপর পুরো দেহটিকে একটি এয়ার টাইট চেম্বারে রাখা হয় এবং তাতে
গ্যাস এবং তাপ ঢোকানো হয়৷ এর ফলে দেহটিকে যেই ভঙ্গিতে বসানো হয়েছে
সেভাবেই সেটি শক্ত হয়ে যায় এবং এভাবেই টিকে থাকে মাসের পর মাস৷ একে বলা
হয় ফিগার প্লাস্টিনেশন৷





প্লাস্টিনেশনের এই প্রক্রিয়া শেষ করতে সাধারণত এক বছর লেগে যায়৷


যে আবিস্কারগুলো বদলে দিয়েছে পৃথিবীর চেহারা

সারা পৃথিবী জুড়ে হাজারো বিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রমে প্রতিদিনই কিছু না কিছু আবিস্কৃত হচ্ছে। মানব জীবন হয়ে উঠছে একটু একটু করে মসৃন। এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং সভ্যতা অবশ্যই এমন এক দিকে চলে যাবে যা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। এর মাঝে অনেক আবিস্কারই মনে রাখার মত।তবে আজ তুলে ধরব সেই সমস্ত আবিস্কারগুলোকে যেগুলো রাতারাতি বিশ্বব্রক্ষান্ডের চেহারা পাল্টে দিয়েছিল।

* ০১. পাইলট ACE কম্পিউটার



প্রথমদিকে ইলেকট্রনিক কম্পিউটারগুলোর মধ্যে একটি উদ্দেশ্যই ছিল মূখ্য – প্রোগ্রাম করতে পারা (অবশ্যই সিম্পল)। এবং এই পাইলট ACE ই সর্বপ্রথম এই কার্য সম্পাদনে সক্ষম হয় এবং সেই সময়ে এটিই ছিল সবচেয়ে দ্রুত কর্মক্ষমতা সম্পন্য ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। এটি ছিল একজন বিখ্যাত কম্পিউটার পাইওনিয়ার “এ্যালান টিউরিং” এর একটি যুগান্তকারী আবিস্কার।


* ০২. থমসনের বাষ্প ইজ্ঞিন



বর্তমানে অনেক ধরনের ইজ্ঞিন মার্কেটে থাকলেও মূলত থমসেনর এই ইজ্ঞিনটিই ছিল সত্যিকার অর্থের একটি পরিপূর্ণ বাষ্প ইজ্ঞিন। ১৭১২ খৃষ্টাব্দে এই ইজ্ঞিন আবিস্কার হওয়ার ফলেই সেদিন ENERGY CRISIS দূর করে সত্যিকার অর্থেই শিল্পবিপ্লব ঘটে।


* ০৩. এ্যাপোলো ১০ ক্যাপসুল



চন্দ্র জয়ে এবং পরবর্তী অভিযান সমূহে যে আবিস্কারের নাম চিরকাল উজ্জল হয়ে থাকবে সেটি হল এ্যাপোলো ১০। প্রায় ৪০ বছর আগে তিন জন বিখ্যাত নভোচারী এতে করেই চন্দ্রের চারিদিকে চক্কর মেরেছিল। এর কয়েক মাস পরেই তারা অবতীর্ন হয় চন্দ্রপৃষ্ঠে। এ্যাপোলোর এই সাফল্য শুধু তৎকালীন জ্যোতির্বিজ্ঞানকে আরো একধাপ এগিয়েই নিয়ে যায় নি বরং বর্তমানের বড় বড় অভিযানে অনুপ্রেরনা যুগিয়েছে।


* ০৪. ইলেকট্রনিক টেলিগ্রাফ



চার্লস হুইটস্টোন এবং উইলাম কুক সর্বপ্রথম ১৮৩৭ সালে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক টেলিকমিউনিকেশান ডিভাইসটি আবিস্কার করেন। প্রথম পাবলিক কমিউনিকেশান এবং দূরবর্তী স্থানে ইলেক্ট্রিসিটি সংযোগের ক্ষেত্রে তাদের আবিস্কারটিই প্রথম প্র্যাকটিক্যালি ব্যবহৃত হয়।


* ০৫. Model T Ford



ম্যাস প্রোডাকশানের যে রেওয়াজ আজ চলে আসছে সেই আইডিয়াটি মূলত ডেভেলপ করা হয়েছে ফোর্ড মোটর কোম্পানীর দ্বারা। তারাই পথ দেখিয়ে দিয়েছে ম্যাস প্রোডাকশানের। তাদের ফিলোসফিই আজ স্টান্ডার্ড বিজনেস পলেসি হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। “ফোরডিসম” সব বড় বড় কোম্পানীর মেটাফরে পরিণত হয়।


* ০৬. V2 রকেট ইজ্ঞিন



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবীকে আবার শেপে ফিরিয়ে আনতে এর ভূমিকা ছিল অনেক। এই ইজ্ঞিন আবিস্কার হয় ১৯৪২ সনে। এর আবিস্কারক হচ্ছেন “ওয়ের্নার ভন বেরুন”। পরে তারই আবিস্কার করা নাসার “সাটার্ন ভি রকেট” পরে এ্যাপোলো কে চাঁদে নিয়ে যায়।


* ০৭. পেনিসিলিয়াম



কোন সন্দেহ নেই যে এ্যালেক্সান্ডার ফ্লেমিং এর এই আবিস্কারকৃত এই এ্যান্টিবায়োটিক কতটা বদলে দিয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞানকে। যদিও ১৯২৮ সালে আবিস্কার হলেও ইউকে এবং ইউএস এর যৌথ সহোযোগীতায় ১৯৪০ সনে এটি রোগীদের কাছে পৌছায়।


* ০৮. ডিএনএ ডাবল হেলিক্স



আমারা যারা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী রয়েছি তারা অলরেডী জানি যে এই ডাবল হেলিক্স এর আবিস্কার, সৃষ্টির বৈচিত্রময় রহস্যকে কতটা উন্মূক্ত করে দিয়েছে। ১৯৫৩ সনে এই মডেল প্রথমে যৌথভাবে প্রস্তাব করে ওয়াটসন এবং ক্রিক। এটাকে অনেকে ডিএনএর “ওয়াটসন – ক্রিক ” মডেলও বলা হয়ে থাকে।


* ০৯. এক্স-রে মেশিন



জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সনে এই এক্স রশ্মির আবিস্কার করে চিকিৎসা বিজ্ঞানকে নিয়ে যান আরেক ধাপ আগে। প্রথিবীর বড় বড় আবিস্কারগুলোর মাঝে এখনও মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে রন্টজেন এর এই এক্সরশ্মি।


* ১০. স্টিভেনসনের রকেট



নামটা রকেট হলেও এটি মোটেও রকেট নয়। দেখতেই পাচ্ছেন এটি একটি যানবাহনের ছবি। ১৮২৯ সনে ইউকে ম্যানচেস্টারে এটি সফলভাবে চালু করেন ন্টিভেনসন। এটি পূর্ববর্তী সকল ইজ্ঞিনের চাইতে বেশী গতিময় ছিল। তাই হয়ত একে রকেট বলা হত। এবং এর বেসিক ডিসাইনটি আগামী ১৫০ বছরের জন্যে মানুষ এবং মাল বহনকারী গাড়ীর ক্ষেত্রে স্টান্ড্যার্ড হয়ে থাকে।

মঙ্গল গ্রহে জলের চিহ্ন পাওয়া গেল

 
** ARCHIV ** Das undatierte computergenerierte Bild der European Space Agency ESA zeigt die Raumfaehre Mars Express, die am Montag, 2. Juni 2003, vom Raumfahrtzentrum Baikonur in Kasachstan zu ihrer rund 250 Millionen Kilometer weiten Reise zum Mars starten wird, um dort nach Wasser und Lebensspuren zu suchen. Es ist die erste Planetenmission der europaeischen Weltraumagentur. (AP Photo/HO, ESA -Illustration by Medialab) ** nur fuer redaktionelle Zwecke verwenden -- zu APD1299 **

মঙ্গল গ্রহের ভূ-পৃষ্ঠের উপর জলের ধারা বয়ে গেছে তার স্পষ্ট প্রমাণ বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন৷ যদি তা সত্যি হয়, তাহলে লাল রঙের এই গ্রহে জলের অস্তিত্বের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ পেল নাসা৷

 
 

মঙ্গল গ্রহের চারপাশে ঘুরছে মার্স রিকনেসেন্স অরবিটার নামের এক যান৷ এই অরবিটারই গ্রহটি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে চলেছে৷ আর এর প্রেক্ষিতেই বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, মঙ্গল গ্রহে জলের অনুসন্ধানে ভবিষ্যতে আরো মহাকাশযান পাঠানো হবে৷ অরবিটার মিশনের প্রধান মাইকেল মায়ার৷ তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘মঙ্গল গ্রহে জল রয়েছে বা জল প্রবাহিত হচ্ছে এই ধরণের প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে৷ আর এই ধরণের আলামত এর আগেও আমরা পেয়েছি৷''
২০০৬ সাল থেকে রিকনেসেন্স অরবিটারটি মঙ্গল গ্রহের দিকে নজর রাখছে৷ অরবিটার থেকে যে সব তথ্য পাওয়া গেছে, তা থেকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করছেন, একদিন হয়তো মঙ্গল গ্রহে জলের অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যাবে৷ অরবিটার এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে মঙ্গল গ্রহের বসন্ত এবং গ্রীষ্মকালে৷ Morning Frost on the Surface of MarsA thin layer of water frost is visible on the ground around NASA's Phoenix Mars Lander in this image taken by the Surface Stereo Imager at 6 a.m. on Sol 79 (August 14, 2008), the 79th Martian day after landing. The frost began to disappear shortly after 6 a.m. as the sun rose on the Phoenix landing site.The sun was about 22 degrees above the horizon when the image was taken, enhancing the detail of the polygons, troughs and rocks around the landing site.This view looks east-southeast with the lander's eastern solar panel visible in the bottom left-hand corner of the image. This false color image has been enhanced to show color variations.Image Credit: NASA/JPL-Caltech/University of Arizona/Texas A&M University
এ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চন্দ্র এবং গ্রহাণুপুঞ্জ গবেষণাগারের অধ্যাপক আলফ্রেড ম্যাক এউইন জানান, ‘‘এখনো পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে আমরা শুদ্ধ জলের অস্তিত্বের চিহ্ন পেয়েছি, যদিও এর অকাট্য প্রমাণ আমরা পাই নি৷'' তিনি আরো জানান,‘‘পুরো বিষয়টি এখনো একটি রহস্য৷ তবে আমি বিশ্বাস করি আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে আমরা এবিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারবো৷''
তবে আসল কথা হল, এখনো পর্যন্ত সরাসরি জলের ধারা নয় – বরং মঙ্গল গ্রহের দুই মেরুতে জমে থাকা বরফ পাওয়া গেছে৷ ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক লিসা প্যাট জানান,‘‘আমি মনে করি এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে মঙ্গল গ্রহ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে৷ প্রথমবারের মত আমাদের হাতে সুযোগ এলো মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর সন্ধান সত্যিই আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার৷''
তবে তিনি এও বলেন,‘‘পরবর্তী প্রশ্ন হবে, ঠিক কোথা থেকে বা কীভাবে জলের মত এই তরল পদার্থ মঙ্গল গ্রহে এল৷ আমরা বিশাল কোন জলাধারের কথা বলছি না, কিন্তু জল বয়ে গেছে৷ সেই অল্প পরিমাণ জলই বা কোথা থেকে এল?''
মঙ্গল গ্রহের যে সব ছবি অর্বিটার তুলেছে গত তিন বছর ধরে তাতে দেখা গেছে, কমপক্ষে ৭টি জায়গায় জলের নালার চিহ্ন দেখা গেছে৷ তবে তা জল নাকি অন্য কোন তরল পদার্থ, তা এখনো বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি৷ 

Blogger templates

.