তথ্যের মৃত্যু নেই
ফেসবুক বা টুইটারের মতো সাইটগুলো হঠাৎই বন্ধ হয়ে গেলে এসব সাইটে দেয়া ব্যক্তিগত তথ্যের কি ঘটবে এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই উঠতে পারে। সম্প্রতি বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, অনলাইনের দেয়া কোনো তথ্যই চিরতরে নষ্ট হয়ে যায় না। কোনো না কোনোভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তা আবারো কাজে লাগানো হয়। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।
বিশেষজ্ঞদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সাইট বন্ধ হয়ে গেলে সে সাইটের তথ্য রিসাইকেল করা হয়। আর এই বিষয়টিই এখন অনলাইন প্রাইভেসির মান এবং এ বিষয়ের আইনকে কাঁচকলা দেখাচ্ছে।
কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ আলেহান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো কোম্পানির সাইট বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য কি করা হবে সে বিষয়টি কোম্পানির নিজস্ব নীতির ওপর নির্ভর করে। তবে, এ বিষয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মতো কোনো আইন যুক্তরাষ্ট্রে নেই। এককথায়, ব্যক্তিগত তথ্যের ডেটাবেজ কি করা হবে সেটি সাইটের মালিকই ঠিক করেন। তিনি আবার কোনো প্রতিষ্ঠান খুলে সেখানে এটি কাজে লাগাতে পারেন।
আলেসান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি আরো জানিয়েছেন, একবার যে তথ্য ইন্টারনেটে ছাড়া হয়, তা এককথায় অমর। এটি কেবল হাতবদল হয়ে এক রূপ থেকে আরেক রূপ নেবে।
বিশেষজ্ঞদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সাইট বন্ধ হয়ে গেলে সে সাইটের তথ্য রিসাইকেল করা হয়। আর এই বিষয়টিই এখন অনলাইন প্রাইভেসির মান এবং এ বিষয়ের আইনকে কাঁচকলা দেখাচ্ছে।
কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ আলেহান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো কোম্পানির সাইট বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য কি করা হবে সে বিষয়টি কোম্পানির নিজস্ব নীতির ওপর নির্ভর করে। তবে, এ বিষয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মতো কোনো আইন যুক্তরাষ্ট্রে নেই। এককথায়, ব্যক্তিগত তথ্যের ডেটাবেজ কি করা হবে সেটি সাইটের মালিকই ঠিক করেন। তিনি আবার কোনো প্রতিষ্ঠান খুলে সেখানে এটি কাজে লাগাতে পারেন।
আলেসান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি আরো জানিয়েছেন, একবার যে তথ্য ইন্টারনেটে ছাড়া হয়, তা এককথায় অমর। এটি কেবল হাতবদল হয়ে এক রূপ থেকে আরেক রূপ নেবে।
মঙ্গল গ্রহে জলের চিহ্ন পাওয়া গেল
মঙ্গল গ্রহের চারপাশে ঘুরছে মার্স রিকনেসেন্স অরবিটার নামের এক যান৷ এই অরবিটারই গ্রহটি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে চলেছে৷ আর এর প্রেক্ষিতেই বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, মঙ্গল গ্রহে জলের অনুসন্ধানে ভবিষ্যতে আরো মহাকাশযান পাঠানো হবে৷ অরবিটার মিশনের প্রধান মাইকেল মায়ার৷ তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘মঙ্গল গ্রহে জল রয়েছে বা জল প্রবাহিত হচ্ছে এই ধরণের প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে৷ আর এই ধরণের আলামত এর আগেও আমরা পেয়েছি৷''
২০০৬ সাল থেকে রিকনেসেন্স অরবিটারটি মঙ্গল গ্রহের দিকে নজর রাখছে৷ অরবিটার থেকে যে সব তথ্য পাওয়া গেছে, তা থেকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করছেন, একদিন হয়তো মঙ্গল গ্রহে জলের অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যাবে৷ অরবিটার এসব তথ্য সংগ্রহ করেছে মঙ্গল গ্রহের বসন্ত এবং গ্রীষ্মকালে৷ 
এ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চন্দ্র এবং গ্রহাণুপুঞ্জ গবেষণাগারের অধ্যাপক আলফ্রেড ম্যাক এউইন জানান, ‘‘এখনো পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে আমরা শুদ্ধ জলের অস্তিত্বের চিহ্ন পেয়েছি, যদিও এর অকাট্য প্রমাণ আমরা পাই নি৷'' তিনি আরো জানান,‘‘পুরো বিষয়টি এখনো একটি রহস্য৷ তবে আমি বিশ্বাস করি আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে আমরা এবিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারবো৷''
তবে আসল কথা হল, এখনো পর্যন্ত সরাসরি জলের ধারা নয় – বরং মঙ্গল গ্রহের দুই মেরুতে জমে থাকা বরফ পাওয়া গেছে৷ ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক লিসা প্যাট জানান,‘‘আমি মনে করি এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে মঙ্গল গ্রহ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে৷ প্রথমবারের মত আমাদের হাতে সুযোগ এলো মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর সন্ধান সত্যিই আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার৷''
তবে তিনি এও বলেন,‘‘পরবর্তী প্রশ্ন হবে, ঠিক কোথা থেকে বা কীভাবে জলের মত এই তরল পদার্থ মঙ্গল গ্রহে এল৷ আমরা বিশাল কোন জলাধারের কথা বলছি না, কিন্তু জল বয়ে গেছে৷ সেই অল্প পরিমাণ জলই বা কোথা থেকে এল?''
মঙ্গল গ্রহের যে সব ছবি অর্বিটার তুলেছে গত তিন বছর ধরে তাতে দেখা গেছে, কমপক্ষে ৭টি জায়গায় জলের নালার চিহ্ন দেখা গেছে৷ তবে তা জল নাকি অন্য কোন তরল পদার্থ, তা এখনো বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি৷
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
Blogger templates
.
?php
}
>?php
}
>?php
}
>










