মাইক্রোওয়েভ ওভেন কিভাবে কাজ করে


মাইক্রোওয়েব ওভেন বিংশ শতাব্দির অন্যতম আবিষ্কারগুলোর একটি। আজকের ফাস্ট লাইফকে আরও ফাস্ট করেছে এই ওভেন। এই ওভেনে খাদ্য গরম বা রান্না করতে খুব কম সময় লাগে এবং বিদুৎ খরচও কম। উন্নত বিশ্বে এই ওভেন ছাড়া জীবন কল্পনাই করা যায় না। কারন প্রতিদিন রান্না করার মত সময় কারো নাই। মাইক্রোওয়েব ওভেনের ব্যবহার বাংলাদেশে এখনও খুব কম।


"মাইক্রোওয়েব ওভেন" নাম থেকেই বুঝা যায়, এর ক্ষমতার উৎস মাইক্রোওয়েব যার ফ্রিকোয়েন্সী প্রায় ২৫০০ মেগাহার্জ। এই তরঙ্গগুলোর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট হল: 

১) পানি, চর্বি, চিনি ও প্রায় সব ধরনের খাদ্যবস্তু এই তরঙ্গগুলো শুষে নেয়। তখন এইসব বস্তুর পরমাণুর মধ্যে সৃষ্টি হয় কম্পন, কম্পন থেকে তাপ এবং সেই তাপেই গরম হ্য় খাদ্যবস্তু। 

২) প্লাষ্টিক, কাঁচ ও সিরামিক জাতীয় পদার্থ এই তরঙ্গগুলো শুষে নেয় না, অর্থাৎ এদের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া হয় না। 

৩) ধাতু এধরনের তরঙ্গ রিফ্লেক্ট করে। তাই এই ওভেনে ধাতুর কোন বস্তু ব্যবহার করা যায় না। 



সিরামিক বা প্লাস্টিকের বাটিতে যে কোন খাবার রেখে প্রোগ্রামে পাওয়ার ও সময় সেট করে স্টার্ট বাটনে চাপ দিলেই হল। আমাদের দেশের রান্নার পদ্ধতি অনেকটা জটিল, সেইসাথে হরেক রকমের মসল্লা। তাই রান্নার চেয়ে তৈরি ঠান্ডা খাবার গরম করতে এই ওভেনের ব্যবহার হ্য় বেশী। ইদানিং ফাস্ট ফুডের দোকানেও মাইক্রোওভেনের জন্য বিশেষভাবে প্যাকেট করা খাবার পাওয়া যায়।

গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়া কী

গ্রীন হাউস কাঁচের তৈরি একটি ঘর যার ভেতর গাছপালা লাগানো হয়। 

মহাকাশ পেরিয়ে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের ভেতর দিয়ে এসে সূর্যের আলো পৃথিবীকে উত্তপ্ত করলেও এর অনেকটা আবার বিকিরিত হয়ে মহাশূন্যে ফিরে যায়। এজন্য পৃথিবী খুব একটা উত্তপ্ত হতে পারে না। কিন্তু বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে এরূপ স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করে না। পৃথিবীর তাপ মহাশূন্যে বিকিরিত হওয়ার পথে বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড কিছুটা তাপ ধরে রাখে বিধায় বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তখন পৃথিবীর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রীন হাউসের কাঁচের দেয়ালের মত কাজ করে বলেই বিজ্ঞানীরা প্রকৃতির এ ঘটনাকে গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়া নামে অভিহিত করেছে। পৃথিবীর গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়ার জন্য মিল-কারখানা ও গাড়ির ধোঁয়া প্রধানত দায়ী।

ডিনামাইট কিভাবে কাজ করে

ডিনামাইট প্রধানত নাইট্রোগ্লিসারিন ও টি এন টি দিয়ে তৈরি একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রাসায়নিক বিস্ফোরক। একটি ডিনামাইটের ক্ষমতা প্রায় দুই মিলিয়ন জুয়েলের উপরে। ডিনামাইট আবিষ্কার করেন সুইডেনের বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল।ডিনামাইটকে সাধারনত তার দিয়ে দূর থেকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের সাহায্যে বিস্ফোরণ করানো হয়। যেমন কোন পাহাড় পর্বতের বিরাট আকারের পাথরকে ভাঙ্গার জন্য প্রথমে পাথরটিতে ড্রিল মেশিন দিয়ে সারিবদ্ধভাবে ছোট ছোট ছিদ্রের সৃষ্টি করবে। প্রতিটি ছিদ্রে একেকটি ডিনামাইট প্রবেশ করিয়ে সবগুলো ডিনামাইটকে তার সংযুক্ত করেবা রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে একই সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এসময় ডিনামাইট থেকে উচ্চ তাপমাত্রার বিরাট আকারের গ্যাস দ্রুতগতিতে এক মুহুর্তে বের হয়ে আসে। এ প্রক্রিয়ায় যে পার্শ্বচাপের সৃষ্টি হয় তাতেই বিরাট আকারের পাথরটি ভেঙ্গে যায়। গঠনে কিছুটা পরিবর্তন এনে ডিনামাইট যুদ্ধে ল্যান্ড মাইন হিসেবেও ব্যবহার হয়। ডিনামাইট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পাহাড় ভাঙ্গা, টানেল তৈরি ও খনিতে। কারণ খুব সহজে ও কম খরচে ডিনামাইট দিয়ে এসব কাজ করা যায়। এছাড়া যুদ্ধের কাজে শত্রুপক্ষের ভবন, সেতু, রেললাইন উরিয়ে দিতে ডিনামাইট ব্যবহার হয়।

WiMAX (ওয়াইম্যাক্স ) কী ও কিভাবে কাজ করে


ওয়াইম্যাক্স কী 
প্রথমে দেখা যাক ইন্টারনেট কানেকশনের বর্তমান বিকল্পগুলোর সীমাবদ্ধতা বা নেতিবাচক দিকগুলো। Dial-up access-এ সাধারণত স্পীড স্লো হয়, সবসময় আনলাইনে থাকা যায় না। পিক আওয়ারে লাইন পাওয়া যায় না। টেলিফোন নেটওর্য়াক থেকে এই লাইন দেয়া হয়। মডেম বা DSL-র মাধ্যমে Broadband access সার্ভস দেয়া হয়।এই পদ্ধতিতে উচ্চ গতির Broadband access পেতে খরচ বেশী। যে সব জায়গায় টেলিফোনের ল্যান্ড লাইন নেই সেখানে এধরনের সংযোগ সম্ভব নয়। 


এছাড়া মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক অর্থাৎ GSM প্রযুক্তি মূলতঃ তৈরি হয়েছিল টেলিফোনের জন্য, পরে কিছু টেকনিক্যাল অপশন যোগ করা হয়েছে যাতে ইন্টারনেট সার্ভসও দেয়া যায়। ইন্টারনেটের ব্যবহার যে হারে বাড়ছে ভবিষ্যতে এই কমপাটিবল অপশন দিয়ে আর কাজ চলবে না। ব্যান্ডওয়াইথের সীমাবদ্ধতা ছাড়াও অন্যান্য টেকনিক্যাল কারণে GSM প্রযুক্তিতেও উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। যদিও মিডিয়াম স্পীডের সংযোগ দেওয়া যায়, কিন্তু খরচ পড়ে বেশী। ওয়াইফাই (Wi-Fi) access হচ্ছে একটি সীমিত এলাকার (৩০ - ১৫০ মিটার) মধ্যে ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক সার্ভিস যেখানে ওয়াইফাই র‍য়টারের মাধ্যমে সীমিত কিছু গ্রাহককে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়। 
উপরোল্লিখিত সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে শহর, গ্রাম, বিচ্ছিন্ন জনপদ, দুর্গম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহজে ও কম খরচে দ্রুতগতির ইন্টারনেটকে 'সবখানে ও সব সময়' সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করার উদ্দ্যেশ্যে সৃষ্ট উচ্চ গতির ওয়ারলেস নেটওর্য়াকই হচ্ছে ওয়াইম্যাক্স (WiMAX), যার পুরো নাম "Worldwide Interoperability for Microwave Access. 

ওয়াইম্যাক্স কিভাবে কাজ করে

তারবিহীন নেটওর্য়াক ওয়াইম্যাক্স তথ্য প্রযুক্তির লোকের কাছে IEEE 802.16 নামেও পরিচিত। ওয়াইম্যাক্সের দু'টি গুরুত্বপূর্ণ অংশ টাওয়ার ও রিসিভার। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি টাওয়ারের কভারেজ হবে প্রায় ৫০ কিলোমিটার (ব্যাসার্ধ)। এই টাওয়ারগুলো তারের মাধ্যমে সরাসরি হাই ব্যান্ডওয়াইথ ইন্টারনেট ব্যাকবোনের সাথে সংযুক্ত থাকে (উপরের চিত্রে A ও B টাওয়ার দ্রষ্টব্য)। আবার দু'টি টাওয়ারের মধ্যে তারবিহীন (মাইক্রোওয়ভ লিঙ্ক) সংযোগও থাকতে পারে (উপরের চিত্রে B ও C টাওয়ার দ্রষ্টব্য)। এইভাবে একাধিক টাওয়ার দিয়ে তার ছাড়াই শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত কভারেজ করা যায়। 

ওয়াইম্যাক্স তারবিহীন সংযোগ সার্ভিস আবার দু'ধরনের হতে পারে। 
Non-line-of-sight: সার্ভিসে ব্যবহার করা হবে lower frequency range (2 GHz to 22 Ghz)। Lower-wavelength transmissions সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে অলিগলি ঘুরে ওয়াইম্যাক্স রিসিভারে (এন্টিনা) পৌঁছে যাবে। উপরের ছবিতে টাওয়ার C থেকে পাশের বিল্ডিংয়ে ও টাওয়ার A থেকে রেসিডেন্টসিয়াল এলাকা ও ল্যাপটপে Non-line-of-sight পদ্ধতিতে সংযোগ দেয়া হয়েছে। 
Line-of-sight: সার্ভিসে ব্যবহার করা হবে higher frequency range (66 Ghz)। Higher-wavelength transmissions কোন ত্রুটি ছাড়া একসাথে বেশী ডাটা প্রেরণ করতে সম্ভব এবং ব্যান্ডওয়াইথও বেশি হয়। এধরনের সার্ভিসে টাওয়ার ও এন্টিনার মাঝখানে কোন প্রতবন্ধকতা থাকতে পারবে না। অর্থাৎ কোন উঁচু ভবনের ছাদ থেকে যদি ওয়াইম্যাক্স টাওয়ার সরাসরি দেখা যায় তবেই ছাদে এন্টিনা লাগিয়ে এই উচ্চ গতির সার্ভিস নেয়া যাবে। টাওয়ার B থেকে পাশের সুউচ্চ ভবনে line-of-sight পদ্ধতিতে সংযোগ দেয়া হয়েছে।
যদিও ওয়াইম্যাক্স ও ওয়াইফাই একই পর্যায়ের প্রযুক্তি । দুটোতে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। ওয়াইফাইয়ের কভারেজ ৩০ থেকে ১০০ মিটার। ওয়াইম্যাক্সের কভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার। ওয়াইম্যাক্স ওয়াইফাইয়ের চেয়ে অনেক বেশি ইউজার একসাথে ব্যবহার করতে পারবে। ওয়াইম্যাক্সের গতিও ওয়াইফাইয়ের চেয়ে অনেক বেশি।

ওয়াইম্যাক্স ইউজার
ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করতে প্রয়োজন হবে বিশেষ বক্স (রিসিভার+এন্টিনা) ও ল্যাপটপের জন্য বিশেষ PCMCIA কার্ড। এগুলোর বিকল্প হিসাবে WiMAX USB Wireless MODEM ব্যবহার করা যেতে পারে তবে তা বাজারে এখনো আসে নি। ওয়াইম্যাক্স তুলনামুলকভাবে নতুন প্রযুক্তি। সার্ভিসের অপশনগুলো বিভিন্ন কোম্পানীর বিভিন্ন রকম। বাংলাদেশের ব্যাপারে ওয়াইম্যাক্স সার্ভিস শুরু না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। বর্ণনার সুবিধার্থে আমি এখানে ভারতের রিলায়েন্স কোম্পানির মডেলটি তুলে ধরলাম (উপরের চিত্রটি দ্রষ্টব্য)। যদি কোনো বাসাবাড়িতে একটি কমপিউটার থাকে তবে এন্টিনা থেকে মডেম, মডেম থেকে কমপিউটার সংযোগ। যদি একাধিক কমপিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ নিতে হয় তবে একটি রয়টারের প্রয়োজন হবে। রয়টার থেকে তারবিহীন সংযোগ নিতে হলে একটি ওয়ারলেস রয়টার ও প্রতিটি কমপিউটারের জন্য একটি করে এডাপটার প্রয়োজন হবে। 

তথ্য প্রযুক্তি (IT) বিজ্ঞানের একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল শাখা। ওয়াইম্যাক্স এই শাখার একটি নতুন সংযোজন। ওয়াইম্যাক্স নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনো আসে নাই। শুরুটা একটু এলোমালো হলেও আশা করি এক সময় একটা স্টান্ডার্ড পর্যায়ে চলে আসবে। 
ভারতের বাঙ্গালোরে কিছু উৎসাহী তরুন ওয়াইম্যাক্স এন্টিনা গুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখছে ইন্টারনেটের স্পীড বাড়ানো যায় কিনা!
বাংলাদেশে ওয়াইম্যাক্স
গত বছর সেপ্টেম্বরে বিটিআরসি উন্মুক্ত নিলামে চারটি অপারেটরকে ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। নিলামে বাংলা লায়ন সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি টাকা নিলাম ডাক দেয়। অন্য অপারেটরদেরও এই দামে লাইসেন্স নিতে হয়। বাংলা লায়নের পক্ষ থেকে ২০০৯ সালের জুনে ওয়াইম্যাক্স চালুর কথা বললেও জটিলতার কারণে তা হচ্ছে না। ৩১শে মে বাংলা লায়নের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, জুনে শুরু করার কথা থাকলেও এখনই গ্রাহকদের সেবা দেয়ার পর্যায়ে তাঁরা আসতে পারে নি। প্রাথমিক অবস্থায় হোম ইউজারদের জন্য মাসে ৬শ' টাকা, কর্পোরেট ইউজারদের জন্য সাড়ে ৫শ' টাকা, দৈনিক ভিত্তিতে ৪৫ টাকায় সারাদিনের সেবা দেয়া এবং শুধুমাত্র রাতে ব্যবহারের জন্য মাসে ৩শ' টাকা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলা লায়ন। (ইত্তেফাক, মে ৩১, ২০০৯)



ওয়াই-ফাই টেকনোলজির আদ্যোপান্ত

গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয় এসে পড়েছে প্রযুক্তির এক অভাবনীয় ছোঁয়ায়। প্রযুক্তি ছাড়া আধুনিক বিশ্বে জীবন-যাপনের কথা চিন্তা করা যায় না। প্রতিনিয়ত আবিষ্কৃত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক-এর ধারনা মোটেই নতুন নয়। কিন্তু এই ওয়্যারলেস টেকনোলজি নিয়ে এক ভিন্নধর্মী উপস্থাপন করা হচ্ছে যা বর্তমানে আলোচিত বিষয় হিসেবে গণ্য। বর্তমানে দাম কমে আসার ফলে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এখন অনেকেই বাসায় স্থাপন করছেন। আসুন এখানে আমরা ওয়্যারলেস টেকনোলজির আদ্যপ্রান্ত জেনে নিই।



ওয়াই-ফাই কি?
Wi-Fi অথবা Wireless Fidelity একটি স্বাধীন নেটওয়ার্ক যা আপনাকে বাড়ীতে, হোটেল রুম, কনফারেন্স রুম সর্বত্রই তারবিহীন অবস্থায় নেটওয়ার্ক (এরিয়াভিত্তিক অথবা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক) জগতে প্রবেশের অনুমতি দেয়। কিভাবে তা সম্ভব? এই ওয়াই-ফাই একটি ওয়্যারলেস টেকনোলজি যা সেলফোনের মতো কাজ করে। ওয়াই-ফাই যে কোন স্থানে বেইজ স্টেশনের আওতায় আপনার কম্পিউটারকে দ্রুততা সম্পন্নভাবে ডেটা আদান-প্রদানে কার্যক্ষম রাখে দ্রুতগতি সম্পন্ন ক্যাবল মডেমের তুলনায়।


আপনার কম্পিউটার একটি ওয়াই-ফাই সার্টিফাইড রেডিও(একটি পিসি কার্ড অথবা সমজাতীয় ডিভাইস)-এর সহিত কনফিগার করা হলে তা যে কোন স্থানে একটি প্রকৃত স্বাধীন কানেকশন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। ওয়াই-ফাই সার্টিফিকেশন-এর অর্থ ওয়াই-ফাই সার্টিফাইড প্রোডাক্টের মাধ্যমে বাড়ীতে, অফিসে অথবা কর্পোরেট ক্যাম্পাস অথবা এয়ারপোর্ট, হোটেল, কফি শোপ এবং অন্যান্য পাবলিক এরিয়া যে কোন স্থানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কানেকশন পাওয়া।


ওয়াই-ফাই যা আপনাকে করতে দেয়
বাসার যে কোন স্থানে বসে আপনি আপনার ল্যাপটপ হতে ই-মেইল চেক করতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় তথ্য দেখে নিতে পারেন। আপনি এয়ারপোর্ট অথবা কফিশপ হতে অফিস নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারেন-এটা অভাবনীয় বটে! এমনকি কর্পোরেট নেটওয়ার্ক হতে ফাইল দেখা, উপস্থাপন করা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, সহকর্মীদের নিকট ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজ পাঠানো এবং এসবের সবই করতে পারেন কনফারেন্স রুম অথবা কোম্পানী ক্যাফটেরিয়া হতেও।  আর এটি করা সম্ভব সহজ ও দ্রুততা সম্পন্নভাবে এই ওয়্যারলেস টেকনোলজির সুবাদে। এই হচ্ছে ওয়াই-ফাই, ওয়্যারলেস টেকনোলজি।


আপনার সমগ্র অফিস স্থানান্তর ছাড়াই, নেটওয়ার্কিং ইনস্টল-এর ইনভেস্টমেন্টের কোন ঘাটতি ছাড়াই এমনকি অতিরিক্ত স্টাফ ছাড়াই ওয়াই-ফাই টেকনোলজিতে সংযুক্ত হতে পারেন।


ওয়াই-ফাই টেকনোলজি
এটি খুব শক্তিশালী। ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক রেডিও টেকনোলজি ব্যবহার করে যা IEEE 802.11b অথবা 802.11a নামে পরিচিত। এটি সিকিউর, রিলেবল যা দ্রুত ওয়ারলেস কানেক্ট করতে সক্ষম।


ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের আদ্যপ্রান্ত
টেকনোলজি নির্ভর পৃথিবী দিন দিন ছোট হয়ে আসছে। আর ওয়্যারলেস জগতে প্রবেশের ফলে পৃথিবীকে আপনার হাতের মুঠোয় পেয়ে যাবেন। আপনি মোবাইল কম্পিউটটিং হতে এর সকল সুবিধা নিতে পারেন।


ওয়াই-ফাই কে ব্যবহার করতে পারবেন
বিশ্বের যে কোন স্থান হতে যে কেউ ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারেন। হোম ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক মাল্টিপল কম্পিউটারে একে অন্যের সহিত কানেক্ট করতে পারে। একটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তার ফ্যামিলি কম্পিউটারের সহিত যেমন হার্ডওয়্যার, সফট্ওয়্যার রিসোর্স, প্রিন্টার এবং ইন্টারনেট শেয়ার করে। এর অর্থ ফ্যামিলির মধ্যে যে কেউ ফাইল, ফটো, ডকুমেন্ট এবং প্রিন্ট শেয়ার করে কোন ক্যাবল সংযোগ ছাড়াই।


হোম অথবা হোম অফিসে ওয়াই-ফাই সার্টিফাইড ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করে এই ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক আপনাকে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট শেয়ার করার ক্ষমতা দেয়। একটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে দশটি অথবা তার অধিক কম্পিউটার সংযুক্ত হতে পারে।


ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কি করতে সক্ষম
রেডিও ব্যান্ড-এর নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি অনুসারে ওয়াই-ফাই ডিভাইসসমূহ একে অন্যের সহিত সিগনাল রিসিভ করে। এই কম্পোনেন্ট সরাসরি একে অন্যের সহিত কানেক্ট হয় (যাকে পেয়ার টু পেয়ার বলা যায়) একটি গেটওয়ে বা এক্সেস পয়েন্টের মাধ্যমে।


এই নেটওয়ার্কে ওয়াই-ফাই রেডিও সংযুক্ত হয় আপনার ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং মোবাইল ডিভাইসসমূহ। এক্সেসপয়েন্ট অথবা গেটওয়ে বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করে। এটি সিগনাল সেন্ড অথবা রিসিভ করে ওয়াই-ফাই রেডিও হতে বিভিন্ন কম্পোনেন্ট একে অন্যের সহিত ইন্টারনেটে কানেক্ট করতে।  একটি সিঙ্গেল ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সকল কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার অথবা ফাইল বিনিময় করে। কোন্টি প্রয়োজন পেয়ার টু পেয়ার নেটওয়ার্ক অথবা একটি বেইজ স্টেশন(একটি এক্সেস পয়েন্ট অথবা গেটওয়ে)
একটি পেয়ার টু পেয়ার নেটওয়ার্ক ওয়াই-ফাই ইকুইপমেন্টসহ কম্পিউটারসমূহ বেইজ স্টেশন ছাড়াই সংযুক্ত হতে পারে। সকল ধরণের ওয়াই-ফাই সার্টিফাইট ইকুইপমেন্ট এই ধরণের ওয়ারলেস সেটআপ সাপোর্ট করে যা কম্পিউটারসমূহের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে অথবা একটি রুমের মধ্যে কতকগুলি কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করতে সক্ষম। যদি সীমিত বাজেটের কথা চিন্তা করেন সেক্ষেত্রে পেয়ার টু পেয়ার ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ভাল সলিউশন প্রদান করতে পারে। আর এতে সহজেই ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারেন। 


ল্যাপটপ, ডেস্কটপ ও পিডিএ-এর জন্য কি ধরণের ওয়াই-ফাই রেডিও অপশন
ল্যাপটপ
অনেক ল্যাপটপ কমিউটার এবং মোবাইল কম্পিউটিং ডিভাইসের মধ্যে ওয়াই-ফাই রেডিও বিল্টইন থাকছে। আর এগুলি ওয়্যারলেস অপারেটের জন্য প্রস্তুত। আবার অনেক ল্যাপটপে ওয়াই-ফাই রেডিও ইমবেডেড যা একটি পিসি কার্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়।
ডেস্কটপ
বিভিন্ন পদ্ধতিতে ডেস্কটপ কম্পিউটারে এই নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিসি কার্ডের জন্য স্লট প্রোভাইড করে না। এর সহজতর মেথড হচ্ছে ইউএসবি ডিভাইস। এই ইউএসবি পোর্ট ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য প্লাগ ইন। আপনার সিস্টেমে ইউএসবি পোর্ট না থাকলে আপনি পিসিআই অথবা আইএসএ বাস সলিউশন ইনস্টল করতে পারেন।
পিডিএ
পারসোনাল ডিজিটাল এ্যাসিস্ট্যান্ট যা পকেট পিসি নামে পরিচিত। এতে ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য কম্প্যাক্ট ফ্লাশ বিদ্যমান রয়েছে।


এক্সেস পয়েন্ট এবং গেটওয়ে-এর জন্য প্ল্যানিং
ওয়াই-ফাই এক্সেস পয়েন্ট অথবা গেটওয়ে ফাংশন নেটওয়ার্কে বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করে। এটি সকল ওয়্যারলেস ক্লায়েন্ট ডিভাইসসমূহ ল্যাপটপ কম্পিউটার, পিডিএ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ওয়্যারলেস পেরিফেরালস যেমন প্রিন্টার এ সেন্ট্রাল কানেকশন প্রতিষ্ঠা করে। বেইজ স্টেশন রেডিও সিগনাল ওয়াই-ফাই রেডিও হতে ল্যাপটপ অথবা পিসিতে পাঠায় ও গ্রহণ করে এবং নেটওয়ার্কে অন্যান্য ইউজারের মধ্যে ইন্টারনেট শেয়ার করে। এক্সেস পয়েন্ট ও গেটওয়ের মধ্যে একটি ওয়াইড রেঞ্জ ফিচার এবং দক্ষতা বিরাজমান রয়েছে কিন্তু তারা সকলেই বেসিক নেটওয়ার্ক কানেকশন সার্ভিস প্রোভাইড করে।


কতজন ইউজার একটি সিঙ্গেল এক্সেস পয়েন্ট ব্যবহার করতে পারে
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কতজন ইউজার একটি সিঙ্গেল এক্সেস পয়েন্ট ব্যবহার করে। একটি ৮০২.১১বি নেটওয়ার্ক প্রতিটি ইউজার এর জন্য ১১ এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ প্রোভাইড করে। তত্ত্বীয়ভাবে, যদি ১০ জন ইউজার একইসময়ে এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তবে প্রতি ইউজার ১ এমবিপিএস অথবা এরূপ স্পিড পায়। নেটওয়ার্ক শেয়ার খুব সহজতর নয়। কারণ, এটি নির্ভর ইউজারের আচরণ বা ব্যবহারের প্রকৃতির উপর।


কতজন ইউজার নেটওয়ার্কে কানেক্ট রয়েছে এবং তারা নেটওয়ার্কে কিভাবে কাজ করছে, কিরূপ স্পিড প্রয়োজন সবকিছুর উপর এই এক্সেস পয়েন্ট নির্ভর করে।


আপনার নেটওয়ার্কের জন্য কম্পনেন্ট পছন্দ করা
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সেটআপ করতে হলে সে অনুযায়ী কম্পনেন্ট নির্ধারণ করতে হয়।


মোট ইউজার এবং কম্পিউটার নির্ধারণ করা
অধিকাংশ বাসায় সাধারনত তিনটি কম্পিউটার থাকে, স্মল বিজনেসের ক্ষেত্রে এ সংখ্যা ১৫ তে দাঁড়ায়। প্রতিটিতে একটি ওয়াই-ফাই রেডিও প্রয়োজন। কাজেই সে অনুযায়ী নির্ধারণ করুন কতটি ওয়াই-ফাই রেডিও দরকার। যদি আপনার ল্যাপটপে ওয়াই-ফাই রেডিও ইমবেডেড না থাকে সেক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই পিসি কার্ড রেডিও-এর প্রয়োজন।
ল্যাপটপের সংখ্যা
-পিসি কার্ড
-ইন্টারনাল ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কার্ড
ডেস্কটপ কম্পিউটারের সংখ্যা
-ইউএসবি অ্যাডাপটারের জন্য ইউএসবি জ্যাক
-পিসিআই অথবা আইএসআই অ্যাডাপটার
-পিসি কার্ড স্লট
পিডিএ-এর সংখ্যা
-পিসি কার্ড
-কম্প্যাক্ট ফ্লাশ ব্যবহার
-ওয়াই-ফাই রেডিও কম্পনেন্ট এর সর্বমোট সংখ্যা


ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য স্থান নির্বাচন
প্রতিটি কম্পিউটারের ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য স্থান নির্বাচন করুন। প্রতিটি কম্পিউটার বা কম্পনেন্টের জন্য ওয়াই-ফাই রেডিও ইনস্টল করুন যার মাধ্যমে আপনি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারছেন।


বেইজ স্টেশনের সংখ্যা নির্ধারণ করা
নেটওয়ার্কে সেন্ট্রাল বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করার জন্য আপনার প্রয়োজন ওয়াই-ফাই এক্সেস পয়েন্ট অথবা গেটওয়ে। একটি টিপিক্যাল ওয়াই-ফাই এক্সেস পয়েন্টে ১৫ হতে ২০জন ইউজার কাজ করতে সক্ষম। খুব বৃহৎ পরিসরের নেটওয়ার্কের জন্য আপনি ডখঅঘ এ যেতে পারেন। এর বেসিক নিয়ম হচ্ছে ভিতরে ১০০ হতে ৩০০ ফুট পর্যন্ত এবং বাইরে ২০০০ ফুট পর্যন্ত। বিল্ডিং এর ধরণ অনুযায়ী এই রেঞ্জ ওঠানামা করতে পারে।


কতজন ইউজার আছে এবং তাদের কাজের ধরন
টিপিক্যাল ইউজার : (ই-মেইল পাঠানো, ইন্টারনেটে সার্চ করা এবং মাঝে মাঝে বড় ফাইল সেভ ও অপেন করা) এর জন্য সমাধান=সিঙ্গেল এক্সেস পয়েন্ট।
আরো চাহিদা সম্পন্ন ইউজার : (প্রায়ই বড় ফাইল বিনিময় করা, ভিডিও ব্যবহার করা) এর জন্য সমাধান=মাল্টিপল এক্সেস পয়েন্ট।
বৃহৎ পরিসরে : (৩০০ ফুটের উপরে একটি ওয়্যারহাউজ অথবা বৃহৎ অফিসে) এর জন্য সমাধান=মাল্টিপল এক্সেস পয়েন্ট।
মোট বেইজ স্টেশনের সংখ্যা নির্ধারণ করা।


কিভাবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক হতে ইন্টারনেটে প্রবেশ করবেন
আপনি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে হাইস্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন ধরণের ইন্টারনেট কানেকশন রয়েছে, যেমন- ব্রডব্যান্ড, এডিএসএল, ওয়াইম্যাক্স প্রভৃতি। এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন হতে গেটওয়ে অথবা এক্সেস পয়েন্টে কানেক্ট হতে পারেন এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে তা ডিস্ট্রিবিউট করা যায়।


ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক হতে কিভাবে প্রিন্টার কাজ করবে
যদি প্রিন্টার শেয়ার করতে চান তবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কানেক্টের মাধ্যমে প্রিন্টার শেয়ার করতে পারেন এজন্য একটি প্রিন্টার সার্ভার ঠিক করুন যার কাজ হচ্ছে নেটওয়ার্কে প্রিন্ট সার্ভিস প্রদান। একটি ওয়্যারলেস প্রিন্ট সার্ভার একটি ছোট কম্পিউটার এবং একটি সিঙ্গেল বক্সে ওয়াই-ফাই রেডিও বিল্টইন থাকে। একটি ওয়াই-ফাই প্রিন্ট সার্ভার অথবা একটি ওয়াই-ফাই ইকুইপড প্রিন্টার নেটওয়ার্ক হতে প্রিন্টার এক্সেস করতে দেয়। 


নেটওয়ার্ক হতে ডিভাইসসমূহ শেয়ার করা
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ডিভাইস শেয়ারের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারেন। যেমন প্রতিটি কম্পিউটারে সব সময় নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই, এক্ষেত্রে ল্যাপটপ বা পিসির পিসি কার্ড, মোবাইল কম্পিউটটিং-এর ইউএসবি রেডিও/এ্যাডাপ্টার শেয়ার করা যায়।


ইকুইপমেন্টের ধরণ
বর্তমানে দুই ধরণের ওয়াই-ফাই কম্পনেন্ট রয়েছে। বাড়ীতে বা অফিস নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট মেশিনে ওয়াই-ফাই রেডিও ডিভাইস (ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, পিডিএ প্রভৃতি) এবং এক্সেস পয়েন্ট বা গেটওয়ে যা বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করে।
পিসি কার্ড রেডিও
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক একটি রেডিও ব্যান্ড ব্যবহার ছাড়াও অন্যান্য ওয়াই-ফাই এনাবলড ইকুপমেন্ট এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট ডিভাইস হিসেবে পিসি কার্ড ওয়াই-ফাই রেডিও। ওয়াই-ফাই পিসি কার্ডে বিল্টইন এন্টেনা থাকে।
ইউএসবি অ্যাডাপ্টার
অধিকাংশ ডেস্কটপ কম্পিউটারে ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য পিসি স্লট নেই। এ সমস্যার সমাধানে পিসিআই/আইএসএ বাস অ্যাডাপ্টার অথবা ইউএসবি অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করা যায়।
কম্প্যাক্ট ফ্লাশ
কম্প্যাক্ট ফ্লাশ পিডিএ এবং অন্যান্য মোবাইল কম্পিউটিং এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি ওয়াই-ফাই কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এক্সেস পয়েন্ট এবং গেটওয়ে
কার্যকরভাবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে একটি সেন্ট্রাল বেইজ স্টেশন প্রয়োজন যা যোগাযোগে সংযোগ সাধন করে। দুই ধরণের ওয়াই-ফাই ওয়্যারলেস বেইজ স্টেশনঃ একটি গেটওয়ে এবং অন্যটি এক্সেস পয়েন্ট।


বিশ্বে ওয়্যারলেস টেকনোলজি এখন ক্রমশঃ সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর ফলে মানুষ তার যোগাযোগ নেটওয়ার্কে আরো বেশি গতিশীলতা আনতে পেরেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশও এই ওয়্যারলেস টেকনোলজিতে সম্পৃক্ত হয়েছে। একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড কোম্পানী তাদের সার্ভিসে অতি সম্প্রতি এই নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করেছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন পেশার মানুষ তার প্রফেশনাল কাজে স্মার্ট ও দক্ষতা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এই প্রযুক্তির সুবিধা থেকে পিছিয়ে থাকবো কেন?

Blogger templates

.