গুগল হোমপেজেই গোপন গেইম 'জার্গ রাশ'!
‘বাজে কাজে’ খরচ করার মতো খানিকটা সময় কি আপনার আছে? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তবে বসে যান গুগল সার্চে। সেখানে ‘zerg rush' লিখে এন্টার চেপে একটু অপেক্ষা করুন। সার্চ রেজাল্টগুলোর একটিতেও ক্লিক করে কোনো কাজ হবে না-এটা নিশ্চিত থাকতে পারেন। আর কী হবে? বিস্তারিত জানিয়েছে মার্কিন টিভি চ্যানেল এবিসি নিউজ।
কাজটুকু করে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। উপর-নিচ, ডান-বাম যে কোনো একদিক থেকে আক্রান্ত হতে যাচ্ছেন আপনি! এর চেয়ে বরং আশপাশের ঘুরতে থাকা শূন্যগুলোতে ক্লিক করে দেখুন। এবার কাজ হলেও হতে পারে। আদতে এটি গুগলের বানানো একটি গেইম। কোনো প্রচারণা ছাড়াই স্রেফ মজা করার জন্য সম্প্রতি বানানো হয়েছে গুগলের অনেকগুলো ইস্টার এগের এই সর্বশেষ সংযোজনটি।
যারা স্ট্র্যাটিজি গেইমস খেলে অভ্যস্ত নন, তাদের জন্যেই ১৯৯৮ সালে প্রথম বাজারে আসা স্ট্র্যাটিজি গেইম স্টারক্র্যাফট এর আদলে তৈরি করা হয়েছে ‘zerg rush’। গেইমটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে আক্রমণকারী গোল জার্গ ইউনিটগুলো ধ্বংস করে আপনার সার্চ রেজাল্টগুলোকে বাঁচানো। তবে এই গেইমটিতে আপনি কোনোভাবেই জিততে পারবেন না। কারণ চারদিক থেকে একের পর এক জার্গ ইউনিটের আক্রমণ আপনাকে দিশেহারা করে দেবে।
তবে আপনার কষ্টের পুরোটাই যে বৃথা যাবে এমনটা কিন্তু নয়। খেলা শেষে আপনার কম্পিউটার মনিটরে জার্গ ইউনিটগুলোই সারি বেঁধে ‘G.G.’ হয়ে দাঁড়াবে, যার মানে হচ্ছে গুড গেইম।
গেইম শেষে আপনার স্কোরটি দেখতে পাবেন স্ক্রিনের ডান দিকে। শুধু তাই নয়, আপনার এপিএম স্কোরটিও শেয়ার করতে পারবেন গুগল প্লাস দিয়ে।
কাজটুকু করে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। উপর-নিচ, ডান-বাম যে কোনো একদিক থেকে আক্রান্ত হতে যাচ্ছেন আপনি! এর চেয়ে বরং আশপাশের ঘুরতে থাকা শূন্যগুলোতে ক্লিক করে দেখুন। এবার কাজ হলেও হতে পারে। আদতে এটি গুগলের বানানো একটি গেইম। কোনো প্রচারণা ছাড়াই স্রেফ মজা করার জন্য সম্প্রতি বানানো হয়েছে গুগলের অনেকগুলো ইস্টার এগের এই সর্বশেষ সংযোজনটি।
যারা স্ট্র্যাটিজি গেইমস খেলে অভ্যস্ত নন, তাদের জন্যেই ১৯৯৮ সালে প্রথম বাজারে আসা স্ট্র্যাটিজি গেইম স্টারক্র্যাফট এর আদলে তৈরি করা হয়েছে ‘zerg rush’। গেইমটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে আক্রমণকারী গোল জার্গ ইউনিটগুলো ধ্বংস করে আপনার সার্চ রেজাল্টগুলোকে বাঁচানো। তবে এই গেইমটিতে আপনি কোনোভাবেই জিততে পারবেন না। কারণ চারদিক থেকে একের পর এক জার্গ ইউনিটের আক্রমণ আপনাকে দিশেহারা করে দেবে।
তবে আপনার কষ্টের পুরোটাই যে বৃথা যাবে এমনটা কিন্তু নয়। খেলা শেষে আপনার কম্পিউটার মনিটরে জার্গ ইউনিটগুলোই সারি বেঁধে ‘G.G.’ হয়ে দাঁড়াবে, যার মানে হচ্ছে গুড গেইম।
গেইম শেষে আপনার স্কোরটি দেখতে পাবেন স্ক্রিনের ডান দিকে। শুধু তাই নয়, আপনার এপিএম স্কোরটিও শেয়ার করতে পারবেন গুগল প্লাস দিয়ে।
প্রোগ্রাম বানিয়ে তথ্য চুরি করেছে গুগল প্রোগ্রামার
সম্প্রতি জানা গেছে, গুগলের এক ইঞ্জিনিয়ার বাড়িতে অবস্থিত দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করার একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন। খবর বিবিসির।
সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি)-এর তদন্তের পূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গুগল। সেখানে এফসিসি জানিয়েছে, ওই ইঞ্জিনিয়ার অন্ততপক্ষে দু’জন সহকর্মীকে তার এই প্রোগ্রামের কথা জানালেও স্ট্রিট ভিউ টিমের সিনিয়র কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন না।
স্ট্রিট ভিউ প্রোগ্রামে গাড়ি থেকে ছবি তোলার সময় দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার হোম ওয়াই-ফাই থেকে ইমেইল ঠিকানা, ব্রাউজিং হিস্ট্রি ইত্যাদি ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়ার ওই প্রোগ্রাম তৈরি করেন তিনি। প্রোগ্রামটি ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত সময়ে যেসব এলাকায় ছবি তোলা হয়েছে সেসব এলাকায় এই অবৈধ তথ্য সংগ্রহের কাজ করেছে।
নাম প্রকাশ না করে প্রকাশিত তদন্তের রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, ওই ইঞ্জিনিয়ার এসব তথ্য রিভিউ করে তা কিভাবে গুগলের অন্যান্য প্রকল্পের কাজে লাগানো যায়, সে পরিকল্পনা করেন। কিন্তু এ সম্পর্কে সিনিয়র কর্মকর্তারা কিছুই জানতেন না বলে তদন্তে প্রকাশ হয়েছে।
এই ঘটনায় ২৫ হাজার ডলার জরিমানা করা হলেও এফসিসি জানিয়েছে, গুগল কোনো আইন ভঙ্গ করেনি। এ ব্যাপারে গুগল জানিয়েছে, তারা স্বচ্ছতার কারণে এফসিসির তদন্তের রিপোর্ট থেকে কেবল নামগুলো মুছে দিয়ে প্রকাশ করেছে। এ ব্যাপারে তাদের মন্তব্য, ‘এফসিসির কিছু বিবৃতির সঙ্গে আমরা একমত না হলেও আমরা আইন ভঙ্গ করিনি-এ ব্যাপারে আমরা একমত।’
সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি)-এর তদন্তের পূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গুগল। সেখানে এফসিসি জানিয়েছে, ওই ইঞ্জিনিয়ার অন্ততপক্ষে দু’জন সহকর্মীকে তার এই প্রোগ্রামের কথা জানালেও স্ট্রিট ভিউ টিমের সিনিয়র কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন না।
স্ট্রিট ভিউ প্রোগ্রামে গাড়ি থেকে ছবি তোলার সময় দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার হোম ওয়াই-ফাই থেকে ইমেইল ঠিকানা, ব্রাউজিং হিস্ট্রি ইত্যাদি ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়ার ওই প্রোগ্রাম তৈরি করেন তিনি। প্রোগ্রামটি ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত সময়ে যেসব এলাকায় ছবি তোলা হয়েছে সেসব এলাকায় এই অবৈধ তথ্য সংগ্রহের কাজ করেছে।
নাম প্রকাশ না করে প্রকাশিত তদন্তের রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, ওই ইঞ্জিনিয়ার এসব তথ্য রিভিউ করে তা কিভাবে গুগলের অন্যান্য প্রকল্পের কাজে লাগানো যায়, সে পরিকল্পনা করেন। কিন্তু এ সম্পর্কে সিনিয়র কর্মকর্তারা কিছুই জানতেন না বলে তদন্তে প্রকাশ হয়েছে।
এই ঘটনায় ২৫ হাজার ডলার জরিমানা করা হলেও এফসিসি জানিয়েছে, গুগল কোনো আইন ভঙ্গ করেনি। এ ব্যাপারে গুগল জানিয়েছে, তারা স্বচ্ছতার কারণে এফসিসির তদন্তের রিপোর্ট থেকে কেবল নামগুলো মুছে দিয়ে প্রকাশ করেছে। এ ব্যাপারে তাদের মন্তব্য, ‘এফসিসির কিছু বিবৃতির সঙ্গে আমরা একমত না হলেও আমরা আইন ভঙ্গ করিনি-এ ব্যাপারে আমরা একমত।’
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
Blogger templates
.
?php
}
>?php
}
>?php
}
>