হারিয়ে যাওয়া টাইটানিক, খুঁজে পাওয়া টাইটানিক
বলো তো, পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত জাহাজ কোনটা? কেন, টাইটানিক। যে জাহাজটিকে বলা হচ্ছিল কখনোই ডুববে না, সেই জাহাজটিই কিনা ডুবে গিয়েছিল প্রথমবারের মতো সাগরে ভেসেই। টাইটানিক কবে ডুবে গিয়েছিল, মনে আছে? ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল। মানে, এই বছর ১৫ এপ্রিল টাইটানিক ডুবে যাওয়ারও ১০০ বছর হয়ে যাচ্ছে। তবে এ বছর টাইটানিক প্রেমীদের জন্য একটা সুখবরও আছে- এ বছরই টাইটানিকের ডুবে যাওয়া ধ্বংসাবশেষকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করেছে। মানে, এখন আর চাইলেই কেউ টাইটানিক দেখতে গিয়ে টাইটানিকের ক্ষতি করতে পারবে না। আর টাইটানিকের মালপত্র সরানো তো যাবেই না।
অ্যামেরিকার চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া!
শুক্রবার মার্কিন নভোযান ‘অ্যাটলান্টিস’ শেষবারের মতো আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র আইএসএস’এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে গেছে৷ ১২ দিন পর এটা পৃথিবীতে ফিরে আসবে৷ এর ফলে শেষ হয়ে যাবে নাসা’র শাটল কর্মসূচি৷
১৯৭২ সালে অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন৷ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে স্পেস শাটল কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন৷ তবে এর প্রায় নয় বছর পর মহাকাশে প্রথমবারের মতো নভোযান পাঠাতে সক্ষম হয়েছিল নাসা৷ সেটা ছিল ১৯৮১ সালের এপ্রিল মাস৷ আর নভোযানটি ছিল ‘কলম্বিয়া'৷
ঐ সময়ে মহাকাশে নভোযান পাঠানো ছিল একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা৷ কিছু তথ্য দিলেই সেটা বোঝা যাবে৷ যেমন কলম্বিয়া যখন মহাকাশে যায় সেই সময় অ্যামেরিকাতে বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোনের কোনো সেবা ছিল না৷ প্রথম পারসোনাল কম্পিউটারটি এসেছিল আরও চার মাস পর৷ আইবিএম তৈরি করেছিল সেটা৷ যার ওজন ছিল সাড়ে নয় কেজি৷
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
Blogger templates
.
?php
}
>?php
}
>?php
}
>