ভাইরাস আক্রমণে অফিস প্রিন্টার

ম্যালওয়ার ভাইরাস 'মিলিসেনসো'-র আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী কর্পোরেট অফিসগুলো। ভাইরাসটির আক্রমণে লাখ লাখ অফিস প্রিন্টার প্রিন্টিং কমান্ড ছাড়াই অপ্রয়োজনীয় এবং এলোমেলো লেখা কাগজে প্রিন্ট শুরু করায় অর্থনৈতিক এবং প্রশাসনিকভাবে বিপাকে পড়েছে শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট অফিসগুলো। খবর বিবিসির।

ইন্টারনেট সিকিউরিটি ফার্মগুলো জানিয়েছে, এই ভাইরাস আক্রমণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা এবং ভারতের কর্পোরেট অফিসগুলো। 'মিলিসেনসো' প্রথম আবিষ্কার হয় ২০১০ সালে। এরপর থেকে একাধিকবার এই ভাইরাসটি ব্যবহার করেছে হাই-টেক ক্রাইম গ্রুপগুলো।

আজব যতো জায়গা

পামুক্কালে

এই আজব লেকটি অবস্থিত তুরস্কে। তুরস্ক কোথায় তা জানো তো নিশ্চয়ই। এই দেশটাই অবশ্য একটা আজব দেশ, এর এক অংশ এশিয়া মহাদেশে, আর বাকি অংশটুকু আবার ইউরোপ মহাদেশে। এই আজব দেশেরই এক আজব জায়গা এই পামুক্কালে। এখানকার লেকগুলো দেখলে তো তুমি একেবারে আশ্চর্য হয়ে যাবে। সাদা লবনের বিশাল বিশাল স্তরে ছোট্ট ছোট্ট পুচকে পুচকে জলাধার। সেগুলোতে আবার মানুষ আগে ঘটা করে গোসলও করতে যেতো। তারা বিশ্বাস করতো ওখানে গোসল করলে শরীর ভালো থাকে। করতো বলছি কেনো, এখনো অনেকে তা-ই বিশ্বাস করে। কিন্তু এখন আর ওখানে কেউ গোসল করতে পারে না। লেকগুলোর যদি কোনো ক্ষতি হয়ে যায়, বা কেউ যদি অসতর্ক হয়ে পুচকে পুচকে লেকগুলোর কোনো ক্ষতি করে ফেলে সেই ভয়ে তুরস্ক সরকার ওগুলোতে দর্শনার্থীদের গোসল করতে বারণ করে দিয়েছে।

পৃথিবীতে দ্রুততম যারা


চিতা বাঘ (Chitaah)

পৃথিবীর স্থলচর দ্রুত প্রাণীদের কথা বলতে গেলে প্রথমেই চলে আসবে চিতা বাঘের কথা। এ আর নতুন কি! কারণ বিড়াল প্রজাতির এই প্রাণীটি অসম্ভব দ্রুত দৌড়াতে পারে। কল্পনা করো তো একটা প্রাণী ঘন্টায় ৭০ মাইল বেগে দৌড়ে যাচ্ছে! এত জোরে গাড়ি চালালে তো সেটা অ্যাক্সিডেন্ট করবে নিশ্চিত। তবে চিতা বাঘ কিন্তু অ্যাক্সিডেন্ট করে না। মজার ব্যাপার  তাই না! আর একটা মজার কথা শোনো। গাড়ি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে কি তার স্পিড ওঠে? ওঠে না! কিন্তু চিতা বাঘ দৌড়ানো শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তার গতি শুন্য থেকে একলাফে ৭০ মাইলে উঠে যায়। আর এই বেগ তুলতে তার সময় লাগে মাত্র ৩ সেকেন্ড।

দ্বীপের নাম নিঝুম দ্বীপ

নিঝুম দ্বীপ কিন্তু পানির ভেতরে লুকিয়ে ছিলো অনেক দিন। ১৯৭২ সালের দিকে বন বিভাগের লোকজন এই বনটি আবিষ্কার করে। তখন তারা দ্বীপটিতে কেওড়া গাছ লাগিয়ে দিয়েছিলো। কেওড়া গাছের বৈশিষ্ট্য হলো- এতে শ্বাসমূল থাকে। শ্বাসমূল তো চেনোই। যে কোনো ম্যানগ্রোভ বনে গেলে দেখবে গাছগুলোর চারপাশে মাটি থেকে ছোট ছোট খুটির মতো কি যেনো বের হয়ে আছে। এগুলোই শ্বাসমূল। বনে লোনা পানি ঢুকে গেলে গাছগুলো আর মাটি থেকে শ্বাস নিতে পারে না। তখন শ্বাসমূলগুলো দিয়ে তারা নিঃশ্বাস নেয়। এজন্য যেখানে পানি বেশি ওঠে সেখানে শ্বাসমূলও বেশি লম্বা হয়। শ্বাসমূল থাকে বলেই কেওড়া গাছ লোনা জলেও ভালোভাবে বাঁচতে পারে। এখন তো সেখানে কেওড়া গাছের ঘন বনই হয়ে গেছে। তবে দ্বীপের যে অংশে মানুষ থাকে সেখানে তুমি বিভিন্ন ফুলেরও দেখা পাবে। তবে সেগুলো আসলে মানুষই আশেপাশের দ্বীপগুলো থেকে আসার সময় নিয়ে এসেছে।

পৃথিবীর বিষধর ১০ প্রাণী

Box Jellyfish

বক্স-জেলিফিস (Box Jellyfish):

Blogger templates

.