নিয়মিত পরীক্ষায় স্মৃতিশক্তি বাড়ে

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছেন, নিয়মিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বেড়ে যায়। নিয়মিত পরীক্ষা দেবার ফলে শেখার ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি বেড়ে যায় স্মৃতিশক্তিও। খবর টেলিগ্রাফ অনলাইনের।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, পরীক্ষার উপযোগিতা বিষয়ে গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ মস্তিষ্কের জন্য সুফল বয়ে আনে এবং মস্তিষ্কের দক্ষতা বাড়ায়।

রাতে দ্রুত বাতি নেভালে ওজন কমে

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছেন, ভালো স্বাস্থ্যের গোপন রহস্য হলো রাতে বাতি দ্রুত নিভিয়ে রাখা। কারণ রাতের অন্ধকারেই মেটাবলিজম পরিবর্তন হয় এবং খাবারের পরিবর্তন না করেও ওজন কমানো সম্ভব।

গবেষকদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অনেক পরে ঘুমাতে যাওয়া খাদ্যভাসের পরিবর্তন করে ফলে রাতে দেরী করে খাবার বেশি খেলে মেটাবলিজম কমে যায়। আর যারা এভাবে রাতের শিফটে ডিউটি করেন তাদের হার্টের অসুখ এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে প্রসিডিংস অফ দ্যা ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স সাময়িকীতে।

ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির স্নায়ুবিদ লরা ফনকেন জানিয়েছেন, ওজন বেড়ে যাওয়ার অর্থ ক্যালারি বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া নয়। এই বিষয়টি পুরোটাই আমদের দেহঘড়ির উপর নির্ভর করে। রাতের বাতি নিভিয়ে রাখার বিষযটি ওজনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চীনা বিগফুটের সন্ধানে গবেষকরা

সম্প্রতি চীনা গবেষকরা বিগফুটের সন্ধানে আন্তর্জাতিক সাহায্য চেয়েছেন। এক বছরের মধ্যেই প্রায় ৪০০ লোকের বিগফুট দেখতে পাওয়ার দাবীর ভিত্তিতেইে চীনা গবেষকরা এই অনুসন্ধান চালাতে চান। খবর রয়টার্সের।

বিগফুট হলো অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক বানর জাতীয় কোনো বড় আকারের প্রাণী। চীনের আঞ্চলিক ভাষায় বিগফুট ‘ইয়েরিন’ নামে পারিচত। ১৯৭০ থেকে ৮০ এর দশকে লোমশ কোনো বিশাল প্রাণীর পদচিহ্ন খুঁজে পাবার পর থেকেই বিগফুটের কথাটি ছড়িয়ে পড়ে।

জানা গেছে, আদতে বিগফুট নামে পরিচিত হলেও এ জাতীয় প্রাণীর এখন পর্যন্ত কোনো খোঁজ পাননি গবেষকরা। তবে, চীনের হুবেই প্রদেশে অনেকবার এই প্রাণীটির দেখা পাওয়ার দাবী করেছেন সেখানকার অধিবাসীরা।

যারা এই বিগফুট দেখেছেন তাদের ভাষ্যমতে, এই ইয়েরিন সোজা হয়ে হাঁটতে পারে। প্রাণীটি প্রায় ২ মিটার লম্বা। আর সারা শরীরে ধূসর, লাল বা কালো রঙের লোমে ঢাকা।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, চীনে এ ধরনের প্রাণী খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এই জাতীয় প্রাণীর ক্রিপটোজুওলজির মধ্যে গণ্য করা হয়। আর চীনের রূপকথাও এইরকম রহস্যময় প্রাণীর খোঁজ পাওয়া যায় যেগুলো প্রত্যন্ত কোনো লেকে বাস করে।

চীনা বিগফুটের সন্ধানে গবেষকরা

সম্প্রতি চীনা গবেষকরা বিগফুটের সন্ধানে আন্তর্জাতিক সাহায্য চেয়েছেন। এক বছরের মধ্যেই প্রায় ৪০০ লোকের বিগফুট দেখতে পাওয়ার দাবীর ভিত্তিতেইে চীনা গবেষকরা এই অনুসন্ধান চালাতে চান। খবর রয়টার্সের।

বিগফুট হলো অর্ধেক মানুষ, অর্ধেক বানর জাতীয় কোনো বড় আকারের প্রাণী। চীনের আঞ্চলিক ভাষায় বিগফুট ‘ইয়েরিন’ নামে পারিচত। ১৯৭০ থেকে ৮০ এর দশকে লোমশ কোনো বিশাল প্রাণীর পদচিহ্ন খুঁজে পাবার পর থেকেই বিগফুটের কথাটি ছড়িয়ে পড়ে।

জানা গেছে, আদতে বিগফুট নামে পরিচিত হলেও এ জাতীয় প্রাণীর এখন পর্যন্ত কোনো খোঁজ পাননি গবেষকরা। তবে, চীনের হুবেই প্রদেশে অনেকবার এই প্রাণীটির দেখা পাওয়ার দাবী করেছেন সেখানকার অধিবাসীরা।

যারা এই বিগফুট দেখেছেন তাদের ভাষ্যমতে, এই ইয়েরিন সোজা হয়ে হাঁটতে পারে। প্রাণীটি প্রায় ২ মিটার লম্বা। আর সারা শরীরে ধূসর, লাল বা কালো রঙের লোমে ঢাকা।

সংবাদমাধ্যমটির বরাতে জানা গেছে, চীনে এ ধরনের প্রাণী খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এই জাতীয় প্রাণীর ক্রিপটোজুওলজির মধ্যে গণ্য করা হয়। আর চীনের রূপকথাও এইরকম রহস্যময় প্রাণীর খোঁজ পাওয়া যায় যেগুলো প্রত্যন্ত কোনো লেকে বাস করে।

দৈত্যাকার রহস্যময় গ্রহে আজব হট স্পট

বিশাল এক অজানা গ্রহে রহস্যময় অদ্ভুত একটা হট স্পট খুঁজে বের করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা। কিন্তু গবেষকদের কাছে এখনও রহস্যময় হয়ে রয়েছে এই বিশাল গ্রহটিতে কিভাবে এই হট স্পট তৈরি হয়েছে। খবর ইয়াহু অনলাইনের।

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রহস্যময় এই বিশাল গ্রহটির নাম আপসিলন অ্যান্ড্রেমিডা বি। এই গ্রহটিকে হট জুপিটার বা গ্যসেরকুণ্ডের দৈত্যও বলা হয়।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই গ্রহটি যে নক্ষত্র থেকে তৈরি হয়েছে তার একদিকে মুখ করেই যেনো অন্ততকারে ফুটছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো গ্রহটির নক্ষত্রমুখী দিকটাই কিন্তু সবচেয়ে উষ্ণ নয়। বরং গ্রহটির উল্টোপাশের বিশেষ একটি অংশটিই সবচেয়ে বেশি উষ্ণ বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

Blogger templates

.